বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের ঋণের কিস্তি আগামী তিন মাস আদায় না করার জন্য দেশের সব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)।
সম্প্রতি দেশের সব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) কাছে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলা-চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার অসহায় মানুষ সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন।
এ পরিস্থিতিতে সরকার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো বরাবরই সরকারের সহযোগী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বন্যাকবলিত এসব জেলার পাশাপাশি অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাতেও চার ধরনের কার্যক্রম গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত তহবিল থেকে জরুরি খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধসহ ত্রাণসামগ্রী বিতরণ এবং বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখতে হবে।
এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের কিস্তি আদায় আগামী তিন মাস স্থগিত রাখতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী দুর্যোগকালীন ঋণ প্রদান এবং গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী সঞ্চয়ের অর্থ দ্রুততম সময়ে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থাও নিতে হবে।
তবে ক্ষুদ্রঋণের উদ্বৃত্ত তহবিল থেকে ব্যয় করা অর্থের অনুমোদন পেতে স্থানীয় প্রশাসনের প্রত্যয়নপত্র ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রমাণপত্রসহ ব্যয়ের এক মাসের মধ্যে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির কাছে আবেদন দাখিল করতে হবে।
পূর্বকোণ/নুসরাত/পারভেজ















