চট্টগ্রাম শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬

আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন দরকার

আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন দরকার

ডা. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন 

৬ নভেম্বর, ২০২৬ | ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ

এসএসসি ও এইচএসসির পরিবর্তে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত আধুনিক স্কুলশিক্ষা: একটি পরীক্ষায় ব্যর্থতা কেন একজন তরুণের শিক্ষাজীবন ও ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে? সময় এসেছে পরীক্ষাকেন্দ্রিক শিক্ষা থেকে দক্ষতা ও জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থায় উত্তরণের।
 
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে আমাদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। গত ৩১ অক্টোবর প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন পাস করতে পারেননি। অর্থাৎ প্রায় প্রতি দুজন শিক্ষার্থীর একজন পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার মাত্র ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। 
 
আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি। এই ফলাফল নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমরা কি শুধু শিক্ষার্থী, শিক্ষক কিংবা শিক্ষামন্ত্রীকে দায়ী করে দায়িত্ব শেষ করব? নাকি এই ফলাফলকে একটি সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক কাঠামো নিয়েই নতুন করে চিন্তা করব? আমার মতে, সময় এসেছে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের।
 
পঞ্চাশের দশকের শিক্ষাকাঠামো নিয়ে একুশ শতকে কত দূর? বাংলাদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা এখনো মূলত দুটি বড় পাবলিক পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়—এসএসসি ও এইচএসসি। এই পরীক্ষাগুলো শুধু শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করে না; অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাস, সামাজিক মর্যাদা, পারিবারিক প্রত্যাশা এবং ভবিষ্যতের সুযোগও নির্ধারণ করে দেয়।
 
অথচ পৃথিবীর অনেক দেশে, বিশেষ করে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে, দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাকে স্কুলশিক্ষার ধারাবাহিক অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেখানে শিক্ষার্থীরা সাধারণত প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে হাইস্কুল ডিপ্লোমা অর্জন করে। শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন হয় বিভিন্ন কোর্স, অ্যাসাইনমেন্ট, ক্লাস টেস্ট, প্রজেক্ট, ব্যবহারিক কাজ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নির্ধারিত পরীক্ষার মাধ্যমে। অবশ্য এসব দেশের সব প্রদেশ বা রাজ্যে একই নিয়ম চালু নেই। কোথাও কেন্দ্রীয় বা প্রাদেশিক পরীক্ষাও রয়েছে। তবে আমাদের মতো দুটি বড় পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলের ওপর সম্পূর্ণ শিক্ষাজীবনকে নির্ভরশীল করার পরিবর্তে ধারাবাহিকভাবে অর্জিত শিক্ষাগত যোগ্যতাকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়।
 
উদাহরণ হিসেবে কানাডার অন্টারিও প্রদেশের কথা বলা যায়। সেখানে হাইস্কুল ডিপ্লোমা অর্জনের জন্য শিক্ষার্থীকে নির্ধারিত সংখ্যক কোর্স ক্রেডিট সম্পন্ন করতে হয়। পাশাপাশি ভাষাগত দক্ষতা, আর্থিক সাক্ষরতা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মতো কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হয়। অর্থাৎ শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া নয়; একজন শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষা, কর্মজীবন এবং সমাজের দায়িত্বশীল সদস্য হিসেবে গড়ে তোলা। বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এই দর্শনটি প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত জরুরি।
 
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা কি অপরিহার্য? আমার প্রস্তাব হলো, পর্যায়ক্রমে এসএসসি ও এইচএসসির বর্তমান পাবলিক পরীক্ষাব্যবস্থা বিলুপ্ত করে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত একটি সমন্বিত স্কুলশিক্ষা কাঠামো চালু করা। এক্ষেত্রে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সাপ্তাহিক ও মাসিক পরীক্ষা, অ্যাসাইনমেন্ট, ব্যবহারিক শিক্ষা, শ্রেণিকক্ষে অংশগ্রহণ, প্রকল্পভিত্তিক কাজ এবং বার্ষিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষার্থীর অগ্রগতি নির্ধারণ করা সম্ভব। প্রতিটি বিষয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রেডিট অর্জনের ব্যবস্থা থাকবে। 
 
একজন শিক্ষার্থী কোনো বিষয়ে দুর্বল হলে তাকে পুরো শিক্ষাবর্ষ পুনরাবৃত্তি না করে সেই নির্দিষ্ট বিষয়ে অতিরিক্ত শিক্ষা ও পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। দ্বাদশ শ্রেণি শেষে প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনকারী শিক্ষার্থীকে একটি জাতীয়ভাবে স্বীকৃত হাইস্কুল গ্র্যাজুয়েশন সার্টিফিকেট বা ডিপ্লোমা প্রদান করা হবে। তবে ধারাবাহিক মূল্যায়নের অর্থ যেন শুধু বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের হাতে নম্বর দেওয়ার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা না হয়। 
 
মূল্যায়নে স্বচ্ছতা, জাতীয় মানদণ্ড, প্রশ্নের গুণগত মান যাচাই এবং নিরপেক্ষ নিরীক্ষার ব্যবস্থা থাকতে হবে। প্রয়োজনে নির্দিষ্ট শ্রেণিতে জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের অর্জিত দক্ষতার নমুনাভিত্তিক মূল্যায়ন হতে পারে। তবে এসব মূল্যায়নের উদ্দেশ্য হবে শিক্ষার মান পর্যবেক্ষণ, লাখ লাখ শিক্ষার্থীকে একসঙ্গে পাস বা ফেল ঘোষণা করা নয়।
 
পাঁচ লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে আমরা কী বার্তা দিচ্ছি? ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রায় ছয় লাখ শিক্ষার্থীর পাস করতে না পারার ঘটনাকে শুধু পরিসংখ্যান হিসেবে দেখলে চলবে না। এই সংখ্যার পেছনে রয়েছে প্রায় ছয় লাখ পরিবার, অসংখ্য স্বপ্ন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা। একজন শিক্ষার্থী গণিত, ইংরেজি কিংবা অন্য একটি বিষয়ে দুর্বল হতে পারে। তার অর্থ এই নয় যে সে জীবনের অন্য কোনো ক্ষেত্রে সফল হতে পারবে না। সে হয়তো একজন দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ান, কম্পিউটার টেকনিশিয়ান, কৃষি উদ্যোক্তা, নির্মাণকর্মী, প্লাম্বার অথবা সফল ব্যবসায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। 
 
কিন্তু আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা অনেক সময় তার সেই সম্ভাবনা আবিষ্কারের আগেই তাকে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে দেয়। একটি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া এবং একজন মানুষ হিসেবে ব্যর্থ হওয়া এক বিষয় নয়। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় এই মৌলিক পার্থক্যটি প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।
সবাইকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হবে কেন? 
 
বাংলাদেশের শিক্ষা ও সামাজিক সংস্কৃতিতে একটি ভুল ধারণা গভীরভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হবে এবং সম্ভব হলে ডাক্তার, প্রকৌশলী কিংবা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হতে হবে। নিঃসন্দেহে আমাদের ডাক্তার, প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, শিক্ষক ও গবেষক প্রয়োজন। কিন্তু একটি আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার, ওয়েল্ডার, নির্মাণকর্মী, মেশিন অপারেটর, অটোমোবাইল টেকনিশিয়ান, কৃষি প্রযুক্তিবিদ এবং অসংখ্য পেশাজীবীর অবদানও অপরিহার্য। 
 
একটি হাসপাতাল যেমন চিকিৎসক ছাড়া চলতে পারে না, তেমনি দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ান, মেডিকেল ইকুইপমেন্ট টেকনিশিয়ান, প্লাম্বার ও অন্যান্য কারিগরি কর্মী ছাড়াও হাসপাতালের কার্যক্রম সচল রাখা সম্ভব নয়। কানাডাসহ উন্নত দেশগুলোতে এসব পেশার জন্য আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ, শিক্ষানবিশি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পেশাগত সনদের ব্যবস্থা রয়েছে। অথচ আমাদের সমাজে এখনো অনেক ক্ষেত্রে কারিগরি পেশাকে তুলনামূলকভাবে কম মর্যাদার চোখে দেখা হয়। এই দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা ছাড়া দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
 
ফিলিপাইনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা: আমাদের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের উদাহরণ হিসেবে ফিলিপাইনকে বিবেচনা করা যেতে পারে। দেশটি ২০১৩ সালে আইনগতভাবে ‘কেু১২’ শিক্ষাব্যবস্থা গ্রহণ করে। এর মাধ্যমে স্কুলশিক্ষায় একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি যুক্ত করা হয়। এই ব্যবস্থায় উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে সাধারণ একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষার সুযোগ রাখা হয়েছে। 
 
পরবর্তী সময়ে দেশটি উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাক্রম আরও সংস্কার করেছে। এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ফিলিপাইনও এমন একটি দেশ, যেখানে বিদেশে কর্মসংস্থান জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে ফিলিপাইনের শিক্ষাব্যবস্থা হুবহু অনুসরণ করার প্রয়োজন নেই। তাদের সাফল্য ও সীমাবদ্ধতা পর্যালোচনা করে বাংলাদেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।
 
কোচিংনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: 
আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার আরেকটি বড় সমস্যা হলো পরীক্ষাকেন্দ্রিক কোচিং সংস্কৃতি। শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশের কাছে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের তুলনায় কোচিং সেন্টার অধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অনেক পরিবার সন্তানের কোচিং, প্রাইভেট টিউশন এবং পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করে। যেখানে শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত জ্ঞান অর্জন, সেখানে পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাওয়াই অনেক সময় প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। 
 
এসএসসি ও এইচএসসির বর্তমান পরীক্ষাব্যবস্থা পরিবর্তন করলে এই চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হতে পারে। একই সঙ্গে বড় আকারের পাবলিক পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে প্রশ্নপত্র ফাঁস, অসাধু পরীক্ষাবাণিজ্য এবং ফলাফল নিয়ে অস্বাভাবিক প্রতিযোগিতার সুযোগও কমবে।তবে শুধু পরীক্ষা বাতিল করলেই কোচিং বাণিজ্য বন্ধ হবে না। বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, ন্যায্য মূল্যায়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির স্বচ্ছ ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে।
 
শিক্ষকদের ভূমিকা হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: 
প্রস্তাবিত ব্যবস্থার সফলতা নির্ভর করবে শিক্ষকদের ওপর। শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ, সম্মানজনক বেতন, পর্যাপ্ত শিক্ষাসামগ্রী এবং জবাবদিহিমূলক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি আধুনিক ডিজিটাল একাডেমিক রেকর্ড ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক জানতে পারবেন কোন বিষয়ে উন্নতি হচ্ছে, কোথায় দুর্বলতা রয়েছে এবং কীভাবে সেই দুর্বলতা দূর করা সম্ভব। দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস, কাউন্সেলিং এবং পুনর্মূল্যায়নের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
 
এখনই জাতীয় আলোচনা শুরু হোক : 
শিক্ষাব্যবস্থার এত বড় পরিবর্তন রাতারাতি সম্ভব নয়। এজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষকসমাজ, শিক্ষাবিদ, অভিভাবক, কারিগরি শিক্ষা বিশেষজ্ঞ এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি জাতীয় শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন করা যেতে পারে। প্রথমে নির্বাচিত কয়েকটি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে নতুন ব্যবস্থা চালু করে ফলাফল মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। তারপর পর্যায়ক্রমে সারা দেশে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। আমাদের মনে রাখতে হবে, শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু জিপিএ-৫ তৈরি করা নয়; শিক্ষার উদ্দেশ্য জ্ঞানসম্পন্ন, দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী এবং দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরি করা। 
 
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল আমাদের একটি কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো, আমরা কি আবার আগামী বছরের ফলাফল নিয়ে একই আলোচনা করব, নাকি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেব? 
 
পূর্বকোণ/এমএইচ

শেয়ার করুন