চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট, ২০২৬

সর্বশেষ:

তারেক রহমানকে ব্রিকস সামিটে বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: নয়াদিল্লি

তারেক রহমানকে ব্রিকস সামিটে বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: নয়াদিল্লি

অনলাইন ডেস্ক

৪ আগস্ট, ২০২৬ | ৯:০৫ অপরাহ্ণ

আগামী সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে যোগদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পৃথকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত সরকার। তিনি এই আমন্ত্রণ পেয়েছেন বর্তমান বিমসটেক চেয়ারম্যান হিসেবে। পাশাপাশি, চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণের সময় পাঠানো দ্বিপক্ষীয় সফরের পূর্ববর্তী আমন্ত্রণটিও এখনও কার্যকর আছে বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

 

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান তিনি।

 

মুখপাত্র বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছিল এবং তা এখনও বলবৎ রয়েছে।

 

ব্রিকস আউটরিচ অধিবেশন নিয়ে তিনি ব্যাখ্যা করেন, বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হওয়ার সুবাদেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অষ্টাদশ ব্রিকস সম্মেলনের এই পর্বে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যা প্রতিষ্ঠিত প্রথা মেনেই করা হয়েছে। তিনি যোগ করেন, একই নিয়মে অন্যান্য আঞ্চলিক জোটের নেতাদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

 

অন্যদিকে, বুধবার (৫ আগস্ট) নয়াদিল্লির একটি অনুষ্ঠানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা আছে কি না—এই প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র স্পষ্ট করে বলেন, এতে সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তিনি জানান, উক্ত অনুষ্ঠানটি একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যম আয়োজন করছে এবং সেখানে প্রকাশিত মতামতের সঙ্গে সরকারের কোনো সমর্থন বা অনুমোদনের সম্পর্ক নেই।

 

জানা গেছে, ভারত এই মুহূর্তে ব্রিকসের সভাপতি দেশ এবং আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে সম্মেলনটি আয়োজন করতে যাচ্ছে। এই আউটরিচ পর্বে সদস্য নয় এমন দেশ এবং আঞ্চলিক জোটের প্রতিনিধিদেরও অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। যেহেতু বাংলাদেশ এখন বিমসটেকের সভাপতি দেশ, তাই এই মর্যাদাবলে দেশটিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং সেই সূত্রে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন। সম্মেলনে ব্রিকসের সদস্যরাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন।

 

এ জাতীয় সম্মেলনগুলোতে সাধারণত বিভিন্ন দেশের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সাইডলাইনে বৈঠক করে বাণিজ্য-বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ তৈরি হয়।

 

পূর্বকোণ/আদর/পারভেজ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট