চব্বিশের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে ছিলেন আত্মগোপনে, বিদেশে বসেই শুরু করেছিলেন ব্যবসা-বাণিজ্য। শেষ পর্যন্ত বিদেশ ভ্রমণ শেষে দেশে ফেরার পথে বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের জালে আটকা পড়লেন চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এম. হারুনুর রশিদ চৌধুরী (৫৮)।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে গ্রেপ্তার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে ছনুয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ চৌধুরী বিভিন্ন মামলার আসামি হিসেবে দেশের বাইরে ও আত্মগোপনে ছিলেন। বিদেশে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তিনি দুবাই ও আফ্রিকার মোজাম্বিকে নানা ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করেন। সম্প্রতি ব্যাংকক হয়ে বাংলাদেশে এসে বিমানবন্দরে পৌঁছালে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে।
বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক জানান, সাবেক চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ চৌধুরীর গ্রেপ্তারের খবর পাওয়ার পর বাঁশখালী থানা পুলিশের একটি দল ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা ও ৫ আগস্টের ঘটনাসহ ৬ থেকে ৭টি সুনির্দিষ্ট মামলা রয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও কোনো মামলার তথ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পূর্বকোণ/রানা/পারভেজ

















