দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেনা বর্ষণের পূর্বাভাস অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
মৌসুমি বায়ুর প্রভাব কমে যাওয়ায় বৃষ্টিও কমেছে। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যশোরে, ৩৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সারাদেশে তীব্র গরম ও মৃদু তাপপ্রবাহের পরিস্থিতির মাঝেই স্বস্তির বার্তা দিল আবহাওয়া অধিদফতর। ঢাকা, ফরিদপুর, রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা জেলার ওপর দিয়ে যে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে তা দ্রুত প্রশমিত হতে পারে।
বঙ্গোপসাগরে নতুন করে একটি লঘুচাপ সৃষ্টির ইঙ্গিত থাকায় আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। হঠাৎ এই বৃষ্টিপাতের কারণে দেশজুড়ে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেয়ে সাধারণ মানুষের স্বস্তি মিলবে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টা অর্থাৎ পাঁচ দিনের সম্ভাব্য পূর্বাভাস প্রকাশ করে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে ঢাকার আবহাওয়া অফিস।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।
সাম্প্রতিক আবহাওয়ার চিত্রে দেখা গেছে, গত একদিনে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে, যেখানে পারদ উঠেছিল ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। অন্যদিকে একই সময়ে সর্বোচ্চ ৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত ধারণ করা হয়েছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে। রাজধানী ঢাকায় আজ সকাল ছয়টার দিকে বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৬ শতাংশ, যা বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্য নির্দেশ করে। বৃষ্টি শুরু হলে বাতাসের আর্দ্রতাজনিত চরম অস্বস্তি ভাব অনেকটাই কেটে যাবে।
এ ছাড়া আগামী শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দুএক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে এদিনও দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
পূর্বকোণ/মিফতা
















