চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গরে নৌযানের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের যৌথ অভিযানে ৫০টির অধিক ফিশিং বোটে তল্লাশি চালিয়ে ২৪ জন জেলেকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের সমুদ্র বন্দর, উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গরে এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে কোস্ট গার্ডের টহল জাহাজ বিসিজিএস সোনাদিয়া, উচ্চগতিসম্পন্ন একাধিক বোট এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের দিশারী-০৭ অংশ নেয়। এ সময় কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর আভিযানিক দলের সদস্যদের পাশাপাশি বন্দর ম্যাজিস্ট্রেটও উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গর ও কর্ণফুলী চ্যানেলে বাণিজ্যিক জাহাজ এবং লাইটারের নিরাপদ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও বাণিজ্যিক জাহাজে ছিঁচকে চুরি প্রতিরোধে বহিঃনোঙ্গরে অবস্থানরত ফিশিং বোটগুলো তল্লাশি করা হয়। পাশাপাশি অবৈধভাবে স্থাপন করা বিভিন্ন ধরনের জাল শনাক্ত করে অপসারণ করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, এসব অবৈধ জালের কারণে নৌযান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
এ সময় বহিঃনোঙ্গরে অবৈধভাবে অবস্থানরত ৫০টির বেশি ফিশিং বোটে তল্লাশি চালিয়ে ২৪ জন জেলেকে আটক করা হয়। পরে বন্দর ম্যাজিস্ট্রেট আটককৃতদের প্রত্যেককে ৩০ দিন করে কারাদণ্ড প্রদান করেন।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর ও এর বহিঃনোঙ্গরে দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ এবং লাইটারের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত, সামুদ্রিক বাণিজ্য সচল রাখা এবং ছিঁচকে চুরি, অবৈধ জাল স্থাপনসহ যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
পূর্বকোণ/আরআর
















