কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় দলিল জালিয়াতির মাধ্যমে খতিয়ান তৈরি এবং জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে ঈদগাঁও উপজেলার পোকখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) এস,এম জাকের হোছাইনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) কক্সবাজার কর্তৃক দাখিলকৃত মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের শুনানি শেষে কুতুবদিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শরীফুল ইসলাম এই আদেশ প্রদান করেন।
আদালতের পরোয়ানাভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন— উপজেলার উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের বাসিন্দা আমির হোছাইন, দেলোয়ার হোছাইন, মো. আকতার হোছাইন, মো. নুরুল বশর, মো. নুর হোছাইন, মো. হাছান, মো. হোছাইন, রকিবুল বশর ও মো. নুরুল আমিন।
মামলার বাদী শহিদুল ইসলামের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আসামিরা তার বৈধভাবে কেনা দলিলের একটি দাগ নম্বর ঘষামাজার মাধ্যমে পরিবর্তন করে নিজেদের দলিলে ব্যবহার করেন। পরবর্তীতে সেই জালিয়াতিপূর্ণ দলিলের ভিত্তিতে একটি ভুয়া খতিয়ান সৃজন করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিযোগের ভিত্তিতে ওই সৃজিত খতিয়ানটি বাতিল করে দেন। কিন্তু খতিয়ান বাতিল হওয়া সত্ত্বেও আসামিরা সংশ্লিষ্ট জমিটি দখলে রাখার জন্য বিভিন্ন পাঁয়তারায় লিপ্ত হলে শহিদুল ইসলাম প্রতিকার চেয়ে আদালতে জালিয়াতি মামলা দায়ের করেন।
বাদী পক্ষ আদালতের এই পরোয়ানা জারির আদেশকে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তবে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য আসামিদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পূর্বকোণ/সিজান/পারভেজ
















