রাতের ম্যাচে অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে জে গ্রুপের শীর্ষে পৌছে গেছে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপ ইতিহাসে মিরোস্লাভ কোসাকে টপকে সর্বোচ্চ গোলের বিশ্বরেকর্ড নিজে করে নেওয়ার রাতে লিওসেল মেসির আর্জেন্টিনা পৌছে গেছে রাউ- অব ৩২-এ’ও। গ্রুপের অপর দুই দল আলজেরিয়া ও জর্ডান। যারা ২৩ জুন সকাল ৯টায় মাঠে নামে একে অপরের বিরুদ্ধে। লক্ষ্য লিও মেসিদের সঙ্গী হওয়া। তাতে অবশ্য স্পষ্ট ফেবারিট ২ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট পাওয়া অস্ট্রিয়া।
মঙ্গলবারের ম্যাচে মাঠে নামা জর্ডান ও আলজেরিয়া দুই দলই হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল। আলজেরিয়া ৩-০ গোলে আর্জেন্টিনার কাছে, জর্ডান ৩-১ গোলে হার মানে অস্ট্রিয়ার কাছে। ২৩ জুনের লড়াইয়ে আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে খেলার ধারার বিপরিতে প্রথম লিড পায় জর্ডান। ৩৬ মিনিটে গোল করেন নিজার আল–রাশদান। প্রথমার্ধে তারা এই এক গোলের অগ্রগামিতা নিয়েই বিরতিতে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালায় আলজেরিয়া। শেষ পর্যন্ত ৬৯ মিনিটে গিয়ে সাফল্য পায় তারা। দারুণ এক হেডে দলকে ম্যাচে ফেরান নাদির বেনবুয়ালি। জর্ডানের সীমানায় আক্রমনের ঢেউ এতটাই প্রবল ছিল, এই অর্ধে গোলসংখ্যা আগেই আরও বাড়তে পারতো। ৬৯ মিনিটে সমতায় ফেরার পর আলজেরিয়া সেই ব্যবধান বাড়াতে পেরেছে ৮২ মিনিটে গিয়ে। এবার জালের দেখা পান আমিনে গুইরি। কর্নার থেকে উড়ে আসা বল রক্ষনের ফুটবলাররা কিয়ার করতে না পারায় সুযোগ বুঝে সহজেই গোল পান গুইরি। তবে গোলটিতে তার অফসাইডে থাকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ‘ভার’, যার সমাধান করতে না পারায় প্রযুক্তিই আবার তৈরি করেছে প্রশ্ন। ম্যাচের প্রায় ৩০ মিনিট পিছিয়ে থাকা আলজেরিয়া ১৩ মিনিটেই দুই গোল করে শেষ পর্যন্ত পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে ফিরে। সুবাদে আসরে তাদের পয়েন্ট সমান ম্যাচে অস্ট্রিয়ার সমান ৩। জর্ডানের শুন্য। গ্রুপ রানার আপ কে যাচ্ছে নক-আউটে সেটা জানা যাবে ২৮ জুন। সেদিন আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়ার মধ্যকার ম্যাচেই নিষ্পত্তি হবে গ্রুপ দ্বিতীয় সেরার। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে জর্ডান নাটকীয় কিছু করে ফেললেও তাদের ভাগ্য বদলাবে না। মানে জর্ডানের বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেছে আলজেরিয়ার কাছে হারে।















