বর্তমানে নকলের ধরন বদলে গেছে, এখন ডিজিটাল মাধ্যমে নকলের চেষ্টা হয়। আর সেটিকেই আমাদের প্রতিহত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশিত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। চট্টগ্রাম কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামের কর্মকর্তা এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আমাদের দেশে শুধু উচ্চশিক্ষা আর উচ্চশিক্ষা; সবাই খালি অনার্স খুলতে চায়। এর কী দরকার?”
এ সময় তিনি সব বোর্ডের খাতা রেন্ডমলি চেক করা হবে উল্লেখ করে বলেন, আমরা দেখব পরীক্ষার খাতায় কেউ কম বা বেশি নম্বর দিয়ে দিল কি না।
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘জুলাই মাসের ২০ তারিখে রেজাল্ট দেওয়ার পর ইমিডিয়েটলি আমি কলেজগুলোতে ভর্তি করানোর চেষ্টা করছি। সিনক্রোনাইজ করছি যে—আমি এখানে সময় দেব না। দিলেই তো কোচিং সেন্টারে যাবে; কেন আমি সময় দেব? আমি তাদেরকে তাড়াতাড়ি ভর্তি করানোর চেষ্টা করব।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের শিক্ষায় পরিবর্তন আনতেই হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। সিলেবাস-কারিকুলাম আপডেট করতেই হবে। এবার আমরা চেষ্টা করেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন—স্মার্ট হতে হবে, তথ্যনিষ্ঠ হতে হবে, রেজিলিয়েন্ট হতে হবে, ভ্যালু-বেসড এডুকেশন হতে হবে, আনন্দদায়ক শিক্ষা ব্যবস্থা করতে হবে।’
প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিগত বছরগুলোতে এটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই চক্র ভাঙতে এবং শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একযোগে কাজ করছে। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে আমি নিজে প্রেসে গিয়ে পাহারা দিয়েছি এবং সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছি।
পূর্বকোণ/পিআর















