চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে দিনভর নিখোঁজ থাকার পর আফরিন (১৪) নামে এক শিক্ষার্থীর মরদেহ স্থানীয় একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার সারিকাইত ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আফরিন সারিকাইত ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হারিশাহ্ ফকিরের বাড়ির ইব্রাহিমের বড় মেয়ে। সে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার সকাল থেকে আফরিন নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় একটি পুকুরে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পরিবারকে খবর দেন। পরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে শোকের পাশাপাশি নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে, গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠা কিশোরী আফরিন সাঁতার জানত কি না এবং কীভাবে সে পুকুরের পানিতে গেল—তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে আফরিন সত্যিই সাঁতার জানত কি না, কীভাবে পানিতে পড়েছে এবং ঘটনাটি দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আইনানুগ সব প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন হালদার বলেন, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পূর্বকোণ/পিআর

















