সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সাতকানিয়া ও রাঙ্গুনিয়াসহ বিভিন্ন উপজেলায় বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়ে ঘরবাড়ি হারিয়েছেন বহু মানুষ, অনেকে হারিয়েছেন স্বজন। দুর্গত এসব মানুষের পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সংগীতশিল্পী পিজিত মহাজন ও তার মানবিক সংগঠন ‘মানুষ’।
বন্যাদুর্গতদের মাঝে খাদ্য সহায়তা দিতে গিয়ে সম্প্রতি এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির মুখোমুখি হন এই শিল্পী। বাঁশখালীর ছনুয়া এলাকায় কোমরসমান পানি পেরিয়ে ত্রাণ বিতরণকালে তারা সন্ধান পান এক পক্ষাঘাতগ্রস্ত (প্যারালাইজড) বৃদ্ধা মায়ের। বন্যায় গৃহবন্দী এই মা দীর্ঘদিন ধরে অনাহারে দিন কাটাচ্ছিলেন। দীর্ঘদিন পর ঘরে গরম খাবারের ব্যবস্থা এবং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া মানুষদের দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি সেই অসহায় মা।
সেই মুহূর্তটি গভীরভাবে স্পর্শ করে শিল্পী পিজিত মহাজনকে। চিত্রটি দেখে তিনি যেন এক মুহূর্তের জন্য ফিরে পান তার নিজের প্রয়াত মাকে। শিল্পীর মনে হয়, দরজায় হয়তো তার মা-ই তার জন্য অপেক্ষা করছেন এবং তিনি গান শেষে বাড়ি ফিরে মায়ের দেখা পাবেন। এই আবেগঘন অভিজ্ঞতা ও মায়ের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই রচিত হয়েছে গানটি।
‘বানভাসি মা’-এর এই করুণ বাস্তবতা ও আবেগ নিয়ে গানটির কথা ও সুর করেছেন পিজিত মহাজন নিজেই। গানের সংগীতায়োজন করেছেন অটমনাল মুন এবং গানচিত্র নির্মাণ করেছেন শাফি মওলা। সম্প্রতি গানটি ‘পিজিত মহাজন অফিশিয়াল’ ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পেয়েছে।
পূর্বকোণ/পিআর















