চট্টগ্রামের পটিয়ায় পংকজ শীল নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজনসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
চন্দনাইশ ও টেকনাফ উপজেলা থেকে বুধবার ও বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মাসুদ আলম।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- অটোরিকশাচালক আবদুর রহমান (২৩) ও ফাতেমা বেগম নিহা (১৯)। এদের মধ্যে বুধবার টেকনাফ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় রহমানকে। আজ বৃহস্পতিবার চন্দনাইশ থেকে নিহাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে ৯ জুন রাতে পটিয়ার চক্রশালা গ্রামের জৌলুর দিঘীর পাড় এলাকায় ছুরিকাঘাতে খুন করা হয় পংকজ শীলকে। এ ঘটনায় তিলক চক্রবর্ত্তী নামে আহত অপর এক যুবক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে জানতে পারি গ্রামে ডাকাতি করার প্রস্তুতি নিতে তিন/চার জন ঘোরাঘুরি করছে। ঘরের বাইরে থাকা লোকজন তাদের দেখলে ধস্তাধস্তি হয়। ডাকাতরা ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এসময় এলাকাবাসী একজনকে ধরে ব্যাপক মারধর করে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।’
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, হত্যাকাণ্ডের পেছনে ডাকাত দল জড়িত বলে এলাকাবাসী সন্দেহ করলেও এটা ডাকাতির ঘটনা না। যে ব্যক্তিকে ডাকাত সন্দেহে আটক করা হয়েছিল, তিনি ডাকাত নন। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন।
পুলিশ সুপার বলেন, এটা ক্লুলেস ঘটনা। কোনো প্রত্যক্ষদর্শী পাচ্ছিলাম না। ভিকটিম দুইজনের মধ্যে পংকজ মারা গেছে এবং তিলক গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনার পর আমরা বিভিন্নভাবে খোঁজ নিচ্ছিলাম। একপর্যায়ে একটা মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। সেখানে একটা ভিডিওতে একজন নারী ও এক পুরুষকে দেখা যায়। নারীর চেহারা পরিষ্কার বোঝা না গেলেও ওই পুরুষকে শনাক্ত করা যায়। জানতে পারি সে অটোরিকশাচালক। পরে টেকনাফ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পূর্বকোণ/এএইচ
















