চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬

সর্বশেষ:

ডিবি পরিচয়ে কোটি টাকার স্বর্ণ লুট: ২ বছরে রহস্য উন্মোচন, মূলহোতা গ্রেপ্তার

ডিবি পরিচয়ে কোটি টাকার স্বর্ণ লুট: ২ বছরে রহস্য উন্মোচন, মূলহোতা গ্রেপ্তার

১৮ আগস্ট, ২০২৬ | ১০:৫৮ অপরাহ্ণ

ডিবি পরিচয়ে কোটি টাকার স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুটের ঘটনার ২ বছর পর রহস্য উন্মোচন এবং ঘটনার সাথে জড়িত এক জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানাধীন হাজারী লেনের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১ কোটি ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৬৪৫ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটের ঘটনার রহস্য দীর্ঘ দুই বছর পর উদঘাটন করেছে পিবিআই। এই ঘটনায় সাজু মিয়া (৩৭) নামক এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলার সূত্র অনুযায়ী, গত ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সালে ‘নবরূপা শিল্পালয়’-এর মালিক পুলক দাশ বিভিন্ন দোকানে স্বর্ণালংকার বিক্রি করে নগদ ১৭ লক্ষ ৯০ হাজার ৫২০ টাকা এবং প্রায় ৭৭ ভরি ১৫ আনা স্বর্ণ নিয়ে ফিরছিলেন। রাত পৌনে ১০টার সময় কে.সি দে রোডের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাছে পৌঁছালে ডিবির পোশাক পরিহিত একদল লোক তাকে ঘিরে ফেলে এবং ডিবি পুলিশ পরিচয় দেয়। এরপর তাকে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে এবং চোখ বেঁধে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়া হয়। গাড়ির ভেতরে তাকে মারধর করে এবং তার কাছে থাকা নগদ টাকা, স্বর্ণের মালা, চুড়ি, আংটিসহ অন্যান্য অলংকার ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে সীতাকুণ্ডের বড় দারোগার হাট এলাকায় ফেলে রেখে যায় অপরাধীরা।

 

প্রাথমিক পর্যায়ে কোতোয়ালী থানা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করলেও পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে তদন্তভার পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর নিকট হস্তান্তরিত হয়। পিবিআই সিসিটিভি ফুটেজ এবং তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সাথে জড়িত সাজু মিয়াকে শনাক্ত করে। অভিযুক্ত সাজু মিয়া বারবার স্থান পরিবর্তন করলেও রবিবার (১৬ আগস্ট) ঢাকার গোলাপবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আসামি সাজু মিয়া গতকাল সোমবার (১৭ আগস্ট) আদালতে হাজির হয়ে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তার জবানবন্দি অনুযায়ী এই ঘটনায় আরও ৫/৬ জন জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে অন্য আসামিদের নাম প্রকাশ না করা হলেও তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।

 

পূর্বকোণ/সিজান/পারভেজ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট