চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সর্বশেষ:

ডুবোচরে আটকে ‘ফেরি কপোতাক্ষ’, রোগীসহ আড়াইশ যাত্রীর উদ্বেগের রাত

অনলাইন ডেস্ক

৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ১:১৮ অপরাহ্ণ

সন্দ্বীপ চ্যানেলে ডুবোচরে আটকা পড়ে রোগী বহনকারী একটি অ্যাম্বুল্যান্সসহ প্রায় আড়াইশ যাত্রী নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রাত কাটিয়েছে ‘ফেরি কপোতাক্ষ’। ফেরি থেকে নামার কোনো উপায় না থাকায় জোয়ারের অপেক্ষায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় যাত্রীদের।

 

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সন্দ্বীপ থেকে সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ফেরিঘাটের উদ্দেশে যাত্রাকালে ফেরিটি ডুবোচরে আটকা পড়ে। প্রায় আট ঘণ্টা পর রাত ২টা ৪৫ মিনিটে জোয়ারের পানি বাড়লে ফেরিটি পুনরায় চলাচল শুরু করে।

 

রাত সোয়া ৪টার দিকে ফেরিটি বাঁশবাড়িয়া ফেরিঘাটে পৌঁছায়। তবে অতিরিক্ত জোয়ারের কারণে ফেরিতে থাকা বাস ও ব্যক্তিগত গাড়িগুলো তাৎক্ষণিকভাবে নামানো সম্ভব হয়নি। এ জন্য যাত্রীদের আরও কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।

 

আটকে থাকার সময় ফেরির ক্যানটিনে পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা না থাকায় যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন। প্রয়োজনীয় খাদ্য ও খাবার পানির সংকটের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত ৯টার পর আটকে পড়া যাত্রীদের জন্য শুকনো খাবার পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

 

পরে গভীর রাতে চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশার পৃষ্ঠপোষকতায় বিএনপির নেতাকর্মীরা রান্না করা খাবার ও পানি ফেরিতে পৌঁছে দেন।

 

এর আগে সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন ফেরিতে গিয়ে আটকে থাকা যাত্রীদের খোঁজখবর নেন।

 

সন্দ্বীপের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিদারুল আলম বলেন, ‘আমার মেয়েকে ফেরিতে পাঠিয়ে সারা রাত উৎকণ্ঠার মধ্যে কাটিয়েছি।’

 

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) নয়ন শীল বলেন, রোগী বহনকারী অ্যাম্বুল্যান্স থাকায় ফেরির মাস্টার যাত্রা শুরু করেছিলেন। সন্দ্বীপের সংসদ সদস্য ফেরিতে থাকা যাত্রীদের জন্য রাতে খাবার ও পানির ব্যবস্থা করেছেন। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও যাত্রীদের বিষয়ে তৎপর ছিল।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট