চট্টগ্রাম শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সর্বশেষ:

বৈশ্বিক কয়লার চাহিদা এ বছর রেকর্ড ৮৯৪ কোটি টন ছুঁতে পারে

বৈশ্বিক কয়লার চাহিদা এ বছর রেকর্ড ৮৯৪ কোটি টন ছুঁতে পারে

অনলাইন ডেস্ক

১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ৯:০৩ অপরাহ্ণ

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও এলএনজি পরিবহনে বড় বাধা তৈরি হয়েছে। এতে জ্বালানি সরবরাহ কমে গ্যাসের দাম বেড়ে গেছে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) নতুন প্রতিবেদন বলছে, এই সংকটের কারণে এ বছর বিশ্বে কয়লার চাহিদা ১.২ শতাংশ বেড়ে ৮৯৪ কোটি টনে পৌঁছাতে পারে—যা সর্বোচ্চ রেকর্ড। আগে আইইএ ভেবেছিল চাহিদা কমবে, কিন্তু যুদ্ধ শুরুর পর হিসাব বদলে গেছে।

কেন কয়লার দিকে ঝুঁকছে দেশগুলো

জ্বালানি খরচ কমাতে ও সরবরাহ নিরাপত্তার জন্য অনেক দেশ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ বাড়াচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনে এই ব্যবহার প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বেড়েছে। চীনে তেলের দাম বাড়ায় রাসায়নিক পণ্য তৈরিতেও কয়লার ব্যবহার বেড়েছে।

এশিয়ায় এল নিনোর প্রভাবে তীব্র গরম পড়ায় ভারত ও ভিয়েতনামে এসির ব্যবহার বেড়ে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়িয়েছে। একই সময় খরায় জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে।

উৎপাদনে ঘাটতি

চাহিদা বাড়লেও চীনে মে মাসে ভয়াবহ খনি দুর্ঘটনার পর কড়া নিরাপত্তা পরিদর্শন শুরু হওয়ায় উৎপাদন কমেছে। এতে বিশ্ব বাজারে কয়লার ঘাটতি তৈরি হয়ে দাম বাড়ছে। তবে সামগ্রিক উৎপাদন এখনো টানা তিন বছর ৯০০ কোটি টনের বেশি থাকবে।

ভবিষ্যৎ কী হতে পারে

হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক হলে এলএনজি সরবরাহ বাড়বে, গ্যাসের দাম কমবে এবং ২০২৭ সালে কয়লার চাহিদা কমতে পারে। কিন্তু প্রণালি বন্ধ থাকলে আগামী বছরও কয়লার ব্যবহার বাড়তে পারে। ২০২৭ সালে চীনের উৎপাদন স্বাভাবিক হলে বৈশ্বিক সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

পূর্বকোণ/আদর

শেয়ার করুন