বিশ্ব ফেডারেশন অব মেডিকেল এডুকেশন (ডব্লিউএফএমই) স্বীকৃত বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন এক্রিডিটেশন কাউন্সিলের (বিএমইএসি) এক্রিডিটেশন পেয়েছে চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ (সিআইএমসি)। এর মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগের বিশ্ব স্বীকৃত মেডিকেল কলেজের সংখ্যা দাঁড়াল দুইয়ে। এর আগে এ স্বীকৃতি পেয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক)।
বিএমইএসি থেকে পাওয়া স্বীকৃতির ফলে দেশের মোট আটটি মেডিকেল কলেজ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের এই স্বীকৃতির আওতায় এলো। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের দুটি প্রতিষ্ঠানের একটি সরকারি এবং অন্যটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ।
চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা শিক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে বিএমইএসি প্রণীত বিভিন্ন মানদণ্ড পূরণ করে তারা এ এক্রিডিটেশন অর্জন করেছে। প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও প্রশাসন, শিক্ষা ও চিকিৎসাদান পদ্ধতি, গবেষণা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রমসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা মূল্যায়ন করা হয়।
২০২২ সালে জাতীয় সংসদে এক্রিডিটেশন-সংক্রান্ত আইন পাসের মাধ্যমে বিএমইএসি গঠিত হয়। বাংলাদেশে সরকারি, বেসরকারি ও সশস্ত্র বাহিনী পরিচালিত মেডিকেল কলেজগুলোর চিকিৎসা শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে মূল্যায়ন ও এক্রিডিটেশনের আওতায় আনাই সংস্থাটির অন্যতম উদ্দেশ্য।
বিএমইএসি সূত্রে জানা যায়, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণের লক্ষ্যে দেশের ২১টি মেডিকেল কলেজ এক্রিডিটেশনের জন্য আবেদন করেছে। বিভিন্ন ধাপে মূল্যায়নের পর এর আগে পাঁচটি মেডিকেল কলেজকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এগুলো হলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ এবং নর্থ-ইস্ট মেডিকেল কলেজ, সিলেট। সর্বশেষ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ এবং চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ এ স্বীকৃতি পেয়েছে।
চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মুসলিম উদ্দিন বলেন, “এই এক্রিডিটেশন শুধু একটি প্রশংসাপত্র নয়, এটি আমাদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও পরিচালনা পর্ষদের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার স্বীকৃতি। বিএমইএসি নির্ধারিত আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নিজেদের উন্নীত করার স্বীকৃতি হিসেবেই আমরা এটিকে দেখছি।”
তিনি বলেন, শিক্ষা ও চিকিৎসাদান পদ্ধতির আধুনিকায়ন, গবেষণা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রমের সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি মানোন্নয়নের চেষ্টা করে যাচ্ছে।
পূর্বকোণ/রাজু/নুসরাত

















