আসন্ন পর্যটন মৌসুমে সেন্টমার্টিনে পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জানমালের নিরাপত্তা জোরদারে এবং হোটেল-রিসোর্টে অগ্নিঝুঁকি এড়াতে যৌথ মহড়া পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিস। পরিবেশ ও পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে আগামী ৫-৬ নভেম্বর থেকেই কক্সবাজার থেকে প্রবাল দ্বীপমুখী সরাসরি পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দ্বীপের একাধিক আবাসিক হোটেল, মোটেল ও গুরুত্বপূর্ণ রিসোর্ট এলাকায় এই মহড়া ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
মহড়াকালে কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্থানীয় বাসিন্দা এবং হোটেল কর্মীদের অগ্নিকাণ্ডের উৎস, আগুন লাগলে তা নিয়ন্ত্রণের উপায়, সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহারে সতর্কতা এবং সিলিন্ডার ও ফোম টাইপ অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জামের ব্যবহার হাতে-কলমে শিখিয়ে দেন। পাশাপাশি কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত কীভাবে প্রাথমিক আগুন নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, এ বিষয়ে প্রদর্শনী করা হয়।
উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়ে সেন্টমার্টিনের (ভারপ্রাপ্ত) ইউপি চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, “দ্বীপের অর্থনীতি পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল। পর্যটক বাড়ার সাথে সাথে অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক। ফায়ার সার্ভিস ও কোস্ট গার্ডের এই উদ্যোগ কর্মীদের সচেতনতা ও তাৎক্ষণিক দক্ষতা বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখবে।”
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, সেন্টমার্টিনের মতো দূরবর্তী ও সংবেদনশীল পর্যটন এলাকায় অগ্নিঝুঁকি কমাতে হোটেল কর্মচারী ও স্থানীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। উপকূলের জানমাল সুরক্ষা এবং নিরাপদ পর্যটন পরিবেশ বজায় রাখতে কোস্ট গার্ডের এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও জোরদার থাকবে।
পূর্বকোণ/এমএইচ/পারভেজ


















