আত্মগোপনে গিয়ে অপহরণের নাটক সাজিয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে থানা হেফাজতে নিয়েছে লোহাগাড়া থানা পুলিশ।
আটক ওই ব্যক্তি উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সৈয়দ আহমদের পুত্র মো. রিদুয়ানুল হক (২৯)।
সোমবার ( ২ নভেম্বর ) বিকেলে উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের আধারমানিক এলাকার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে আনা হয় বলে নিশ্চিত করেন লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ৯ অক্টোবর আমিরাবাদ মোস্তফা মার্কেটের ব্যবসায়ী বাবলু পালের দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে। এ সময় দোকান থেকে চারটি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়।
পরে দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে রিদওয়ানকে সন্দেহ করেন দোকানমালিক। এ ঘটনায় তাকে নিয়ে স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার কার্যালয়ে বৈঠকও হয়। বৈঠকের পরদিন হঠাৎ নিখোঁজ হন রিদওয়ান। একই দিন পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। এরপর থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল।
এদিকে সোমবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দোকানমালিক বাবলু পাল জানতে পারেন, রিদওয়ান তার স্ত্রীসহ পদুয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আধার মানিক এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থান করছেন।
খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য জসীম উদ্দিন ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা ওই বাড়িতে যান। এ সময় বাড়ির লোকজন দরজা বন্ধ করে তাকে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতে গেলে তাদের বাধার মুখেও পড়তে হয়।
পরে বিষয়টি লোহাগাড়া থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাড়ির দ্বিতীয় তলার ছাদের এক পাশে কালো পলিথিনে ঢাকা কাটের স্তূপের ভেতর লুকিয়ে থাকা অবস্থায় রিদওয়ানকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জানান, থানা হেফাজতে থাকা রিদওয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রকৃত ঘটনার রহস্য বের করা যাবে। আপাতত এর বাইরে কিছু বলা যাচ্ছে না।
পূর্বকোণ/রানা/পারভেজ


















