রাঙামাটির সাজেক সড়কে আজ রবিবার (১ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে ১২ ঘণ্টার পাল্টা সড়ক অবরোধ পালন করছে পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটি নামের একটি সংগঠন। এতে রাঙামাটির সাজেক-বাঘাইছড়ি, বাঘাইছড়ি-খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা-সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
গত ২২ অক্টোবর থেকে ‘সাজেক’ ইস্যুতে থেমে থেমে এ সড়কে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে আসছিল ‘সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি’ ও ‘সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন’। গত শুক্রবার সংগঠন দুটির নেতা বাবুধন চাকমা ও নতুনজয় চাকমা এক বার্তায় রবিবারের (১ নভেম্বর) জন্য অবরোধ শিথিলের ঘোষণা দেন। সাজেক এলাকার সাধারণ মানুষের মৌলিক চাহিদা এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মাসব্যাপী কঠিন চীবর দান উৎসবের কথা বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তারা।
তবে অবরোধ এক দিনের জন্য শিথিল করার ঘোষণায় অসন্তোষ জানিয়ে শনিবার রাতে পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব বিন্দু লাল চাকমা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টা অবরোধের ডাক দেন।
তাই আজ রবিবার সকাল থেকে অবরোধের কারণে খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কে কোনো যানবাহন চলাচল করেনি। এতে কর্মজীবী মানুষ ও দূরপাল্লার যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন। খাগড়াছড়ি জেলা শহরের ন্যান্সী বাজার এলাকার দীঘিনালা-খাগড়াছড়ি স্টেশনে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে যাত্রীদের জটলা দেখা যায়। যানবাহন না পেয়ে অনেকে হতাশা প্রকাশ করেন।
এদিকে, বাঘাইছড়ি ু খাগড়াছড়ি পরিবহন শ্রমিকরা নিজেদের বিভিন্ন দাবী দাওয়া নিয়ে সড়ক অবরোধের ডাক দেয়। এসময় পরিবহণ শ্রমিক জসীম উদ্দিন বলেন, দুটি সংগঠন পর্যটনের ভরা মৌসুমে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য পুরো পরিবহন খাতকে জিম্মি করে ফেলেছে। এক দিনের জন্য অবরোধ শিথিলের ঘোষণা আমরা মানিনা। তাই পাল্টা সর্বাত্মক সাজেক অবরোধের পথে নেমেছি।
খাগড়াছড়ির পরিবহন নেতা মীর হোসেন ও আয়ুস কান্তি চাকমা বলেন, এ অচলাবস্থা নিরসনে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে চলমান আলোচনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। স্থায়ী সমাধান না হলে চলমান পর্যটন মৌসুমে সব ধরনের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। হাজারো মানুষের জীবিকা সংকটে পড়বে।
পূর্বকোণ/পিআর


















