চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬

সর্বশেষ:

পেকুয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণ চেষ্টা, যুবক আটক 

পেকুয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণ চেষ্টা, যুবক আটক 

পেকুয়া সংবাদদাতা

২২ অক্টোবর, ২০২৬ | ৪:৫৪ অপরাহ্ণ

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণ চেষ্টা চালানো হয়েছে। এসময় উত্তেজিত জনতা জড়ো হয়ে ধর্ষণ চেষ্টাকারী যুবককে জুয়েলারি দোকান থেকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। খবর পেয়ে পুলিশ ভিকটিম কিশোরীকে উদ্ধার করে ও অভিযুক্ত জুয়েলারি দোকানের কর্মচারীকে আটক করে। 
 
 
বৃহস্পতিবার (২২অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার টইটং বাজারের এম ডি জুয়েলার্স নামে স্বর্ণের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
 
 
আটক ব্যক্তির নাম অমল ধর (৩৮)। তিনি বারবাকিয়া ইউনিয়নের উত্তর নাথ পাড়ার মৃত চিত্তরঞ্জন ধরের ছেলে। 
 
 
 
পেকুয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইদুর রহমান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভিকটিমকে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়। তাকে যৌন হয়রানি করা হয়েছে বলে ভিকটিম স্বীকার করেন। 
 
 
 
টইটং বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এম ডি জুয়েলার্স নামক স্বর্ণের দোকান থেকে ওই কিশোরী চিৎকার দিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে। এসময় মেয়েটি স্বর্ণের দোকানের কর্মচারী অমল ধরের হাতেই যৌন লালসার শিকার হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। 
 
 
ভিকটিম কিশোলী জানায়, তার বাড়ি চকরিয়ার বরইতলি ইউনিয়নে। মেয়েটির বাবা জঠিল রোগে ভুগছিলেন। পিতার চিকিৎসার জন্য মানুষের কাছে গিয়ে সহযোগিতা চাচ্ছিলেন। আর্থিক সহযোগিতা চাওয়ার জন্য জুয়েলারি দোকানে যায়। কর্মচারী অমল ধর তাকে ফুসলিয়ে দোকানের পিছনের রুমে নিয়ে যায়। এসময় মেয়েটিকে যৌনহয়রানির চেষ্টা চালানো হয়। একপর্যায়ে সম্ভ্রম বাঁচাতে দ্রুত সেখান থেকে সটকে পড়ে।
 
 
টইটং বাজার পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি সেলিম উদ্দিন, সদস্য হেলালসহ ব্যবসায়ীরা জানান, দোকানের ভিতরে চিৎকার শুনে আমরা দুই তিনজন দোকানে ঢুকি। এসময় মেয়েটি দ্রুত বের হয়ে যায়। তবে তার পরনে সেলোয়ার ছিল না। দোকানের কর্মচারী অমলকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখি। পরে প্রচুর লোকজন জড়ো হয়। পুলিশ এসে দুজনকে নিয়ে যায়।
 
 
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, টইটং বাজারে জুয়েলারি দোকানের অমল ধর নামে এক  কর্মচারাী এক কিশোরীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে ভিকটিম ও অভিযুক্ত অমল ধরকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি। ভিকটিমকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
 
পূর্বকোণ/পিআর
 

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট