চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় এভিয়ারী এন্ড ইকোপার্ক এলাকায় পার্কিংয়ের অবৈধ দখল উচ্ছেদ করেছে কোদালা বন বিভাগ। গত ১৫ অক্টোবর রাঙ্গুনিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহেরাজকে মব সৃষ্টি করে গণপিটুনি দেয়। এই ঘটনায় (১৭ অক্টোবর) বন আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোদালা বিট কর্মকর্তা বাদি হয়ে তিনটি মামলা দায়ের করে। এনিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে কোদালা বন বিট কর্মকর্তা ও চারজন ফরেস্ট গার্ড ও মালী।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত সরকার পতনের পর চট্টগ্রামের দক্ষিণ বিভাগের আওতাধীন কোদালা বনবিট এলাকায় বিশেষ করে এভিয়ারী এন্ড ইকোপার্ক ও তার আশেপাশে বনবিভাগের জমিতে গাছ কাটা, মাটি কাটা, ঘর নির্মাণ, ইকোপার্কে অগ্নিসংযোগ, ব্যাপক লুটপাট, পশুপাখি চুরি, ক্যাবল কার ক্ষতিসাধন, ভাংচুর, সেগুন কাঠ ও মূল্যবান গাছ কেটে বন উজাড়সহ বনের জমি দখল করে কিছু চিহ্নিত দুষ্কৃতকারী।
গত ১৫ অক্টোবর থেকে বন মামলার আসামিরা রেঞ্জ কর্মকর্তাকে মারধর করে মবসৃষ্টি, উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান, মানববন্ধননের নামে বন বিভাগরে কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে গালাগালসহ মানহানিকর বক্তব্য দেয়। কথিত সাংবাদিকরা তা প্রচার করে পরিস্থিতিকে আরো ঘোলাটে করে তোলে।
বন বিভাগের কর্মী যেকোন কাজে বনের জমি পরিদর্শনে গেলে বা বনকর্মীদের দেখলে সব বন মামলার আসামিরা এক হয়ে যেকোন সরকারি কাজে বাধা প্রদান করে। একত্রিত হয়ে মিছিল, মিটিং, মানববন্ধনসহ মারধর করে এক জোট হয়ে।
হামলার পর পাহাড়ি মাটি কাটা বন্ধ নেই
গত ১৫ অক্টোবর উচ্ছেদ অভিযানে হামলার পর থেকে পাহাড়ের মাটি কাটা বন্ধ করেনি। প্রতি রাত গভীর হলে কোদাল শাবল ও ট্রাক নিয়ে মাটি খেকোরা বিভিন্ন স্থাপনা ও পুকুর ভরাটের কাজ করে যাচ্ছে।
তিন মামলার আসামীরা
তিন মামলায় আসামিরা হলেন- আহমদুল হক, মো. ফারুক, মো. সোহেল. মো. আনোয়ার, মাহাবুব প্রকাশ পচাইয়া, মো. মো. আবু বক্কর, মো. ফারুক, মো. আবুল কাশেম. মো. সোহেল, আয়েশা বেগম, মো. হানিফ মাঝি, মাহাবুব প্রকাশ পচাইয়া, মো. সোলেমান, ও মো. ইদ্রিচ ড্রাইভার।
পূর্বকোণ/আরআর/পারভেজ


















