চট্টগ্রামের রাউজানে উপজেলা যুবদল নেতা মুহাম্মদ আলমগীর প্রকাশ আলম হত্যা ও গুলিবিদ্ধ হয়ে রিয়াজের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এক ইউপি সদস্যসহ তিনজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। ১৩ অক্টোবর মংলবার আইনজীবী ও বাদী সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
জানা যায়, চট্টগ্রাম জজ আদালতে (১২ অক্টোবর) আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
নিহতের পরিবার ও আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, কারাগারে পাঠানো ব্যক্তিরা হলেন— ৭ নম্বর রাউজান ইউনিয়নের বাসিন্দা মহিনুল ইসলাম মিশাল, পিতা: মো. মানিক; একই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য এখতিয়ার মেম্বার,পিতা: মৃত শামসুল আলম এবং রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু বক্কর চৌধুরী, পিতা: মৃত আবুল খায়ের।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৫ অক্টোবর বিকেল পাঁচটার দিকে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম রাউজানের চারাবটতল বাজার সংলগ্ন কায়কোবাদ জামে মসজিদের সামনে গুলিতে নিহত হন মুহাম্মদ আলমগীর আলম (৪৫)। তিনি উপজেলা যুবদলের একজন কর্মী ছিলেন।
এ ঘটনায় আলমগীরের মোটরসাইকেলের পেছনের আসনে থাকা মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ওরফে রিয়াদ (২৫) নামের আরেক যুবকও গুলিবিদ্ধ হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঘটনার প্রায় তিন মাস ১০ দিন পর তাঁর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে আলমগীর ও রিয়াদের মৃত্যুতে ঘটনাটি জোড়া হত্যাকাণ্ড হিসেবে আলোচনায় আসে। গ্রেপ্তার তিনজনই বিএনপি ও যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
পূর্বকোণ/আদর/পারভেজ


















