সারাদেশের মতো রাঙামাটির রাজস্থলীতেও আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। গত এক সপ্তাহে উপজেলার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অন্তত ২০ জনের দেহে ডেঙ্গু শনাক্তের খবর হাতে এসেছে। এদের মধ্যে ৭ জন বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. নওশাদ খান জানান, আক্রান্ত রোগীদের জন্য হাসপাতালে পৃথক ‘ডেঙ্গু কর্নার’ চালু করা হয়েছে এবং চিকিৎসাধীনদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
চিকিৎসকদের মতে,লক্ষণের শুরুতে অবহেলা করে দেরিতে হাসপাতালে আসায় রোগীদের শারীরিক জটিলতা বাড়ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রচণ্ড জ্বর, মাথাব্যথা, হাড় ও পেশিতে ব্যথা, বমিভাব কিংবা শরীরে র্যাশ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এ ছাড়া মুখ, নাক বা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্তক্ষরণ, প্লাটিলেট কমে যাওয়া, চামড়ায় কালো ছোপ বা তীব্র পেটব্যথা দেখা দিলে কালবিলম্ব না করে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
এদিকে ডেঙ্গু রোগী বাড়লেও মশক নিধনে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। উপজেলার বাস স্টেশন, হ্নারামুখ পাড়া, কলেজ পাড়া, রাজস্থলী বাজার, মহাজন পাড়া, মহব্বত পাড়া, অংজাইনপাড়া, বাঙ্গালহালিয়া, ইসলামপুর, শফিপুর ও ছাগলখাইয়া এলাকায় মশার ওষুধ ছিটানোর কার্যক্রম একেবারেই চোখে পড়ে না বলে অভিযোগ তাদের।
স্থানীয়দের দাবি, এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দ্রুত সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনকে ফগার মেশিনের সাহায্যে নিয়মিত মশার ওষুধ ছিটানোর জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পূর্বেকোণ/রানা

















