চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে উপজেলা প্রশাসনের খাস পুকুরের সাইনবোর্ডটি ভেঙে ফেলার ঘটনার পর রাতের আঁধারে এটি ফের যথাস্থানে লাগিয়ে দিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
গত বুধবার উপজেলার গাছুয়া ইউনিয়ন পরিষদের একটি দিঘি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাস পুকুর হিসেবে উল্লেখ করে সরকারি সাইনবোর্ড স্থাপনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেটি ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল। এই ঘটনায় আলোচনা তৈরি হলে ভাঙা সাইনবোর্ডটি আবার লাগিয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি পূর্বকোণকে জানিয়েছেন গাছুয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান রোকেয়া বেগম।
সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দিঘিটির পাশে খাস পুকুর উল্লেখ করে একটি সরকারি সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। তবে বিকেল না গড়াতেই দুর্বৃত্তরা সাইনবোর্ডটি ভেঙে ফেলে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। সরকারি সম্পত্তি ও সরকারি নির্দেশনা সংবলিত সাইনবোর্ড ভাঙার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান স্থানীয়রা। ঘটনার পর সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন আইনানুগ ব্যবস্থার কঠোর বার্তা দিয়েছিলেন।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, পরিষদের দিঘিটি সাবেক চেয়ারম্যান আবু হেনা নিয়মবহির্ভূতভাবে কয়েক বছরের জন্য ইজারা দিয়েছিলেন। ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তিনি প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে দিঘিটি দখলে রাখার চেষ্টা করছেন।
গাছুয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান রোকেয়া বেগম বলেন, কে বা কারা সাইনবোর্ডটি পুনরায় লাগিয়ে দিয়ে গেছে। তবে কারা এটি লাগিয়েছে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।
পূর্বকোণ/রানা/পারভেজ


















