চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারও পিছিয়েছে। আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত থাকলেও তা জমা দিতে পারেননি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের পরিদর্শক মজিবুর রহমান। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা নতুন সময় নির্ধারণ করেন।
মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পূর্বপরিকল্পিতভাবে সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার তদন্তের দায়িত্ব প্রথমে রমনা থানা পুলিশ পেলেও পরে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে সিআইডি, বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং পিবিআইয়ের তদন্তে সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে এসব প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট না হয়ে তার মা নীলা চৌধুরী আপত্তি ও পুনঃতদন্তের আবেদন করেন।
পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক নীলা চৌধুরীর রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।
মামলার অভিযোগে সালমান শাহর মামা দাবি করেছেন, মৃত্যুর দিন তার পরিবারের সদস্যরা নিউ ইস্কাটনের বাসায় গিয়ে সালমানকে শয়নকক্ষে নিথর অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। অভিযোগে সালমানের শরীরে দড়ির দাগ ও কিছু নীলচে দাগ দেখার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার অভিযোগে সালমান শাহর মামা দাবি করেছেন, মৃত্যুর দিন তার পরিবারের সদস্যরা নিউ ইস্কাটনের বাসায় গিয়ে সালমানকে শয়নকক্ষে নিথর অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। অভিযোগে সালমানের শরীরে দড়ির দাগ ও কিছু নীলচে দাগ দেখার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, মামলার আসামি অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে গত ৯ আগস্ট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয় সিআইডি। রিমান্ড শেষে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় জনপ্রিয় এই চিত্রনায়ককে। তার মৃত্যুর ঘটনায় প্রথমে অপমৃত্যুর মামলা করেছিলেন বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। দীর্ঘ সময় ধরে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে বর্তমানে মামলাটি হত্যা অভিযোগে তদন্তাধীন রয়েছে।
পূর্বকোণ/পল্লবী


















