চট্টগ্রাম শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬

সর্বশেষ:

মিমি সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ীর ২ কোটি টাকার স্বর্ণ নিয়ে উধাও কর্মচারী, গ্রেপ্তার ৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

২১ আগস্ট, ২০২৬ | ৬:৩২ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম নগরীর প্রবর্তক মোড়ের মিমি সুপার মার্কেটের ‘নিউ কনক বাহার জুয়েলার্সের ১ কোটি ৮৮ লাখ ৩০ হাজার টাকার ৫৫টি স্বর্ণের চুড়ি আত্মসাৎ করার দায়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে পাঁচলাইশ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. সোহেল। 

এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রোমেন দে, শ্যামল সিংহ, জয় দে ওরফে বাবু (২২), রনি দে (২৮), স্বপ্না দে (৫৫) ও ইমন দে (১৯)।

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম জানান, নগরের প্রবর্তক মোড়সংলগ্ন মিমি সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় ‘নিউ কনক বাহার জুয়েলার্স’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১২ থেকে ১৩ বছর ধরে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করতেন রোমেন দে (৩৬)। গত ১৪ আগস্ট দোকানের স্বর্ণের মজুত হিসাব করার সময় ৫৩টি চুড়ি কম পাওয়া যায়। পরে রোমেন দে দায়িত্বে থাকা স্বর্ণের চুড়িগুলোর পরিবর্তে সাতটি বাক্সে ইমিটেশনের চুড়ি পাওয়া যায় । এ ঘটনা দোকানের মালিক বিপ্লব বসাককে দোকানের স্টক মেলানোর দায়িত্বে থাকা কর্মচারীরা জানালে রোমেন ওয়াশ রুমে যাওয়ার কথা বলে কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে এই ঘটনায় পাঁচলাইশ মডেল থানায় মামলা করেন বিপ্লব বসাক। গত ১৮ আগস্ট রাত ২টার দিকে সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট মহাসড়ক এলাকা থেকে রোমেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদে রোমেন দে জানান, আত্মসাৎ করা স্বর্ণের চুড়িগুলো বিভিন্ন জুয়েলারি দোকানে বন্ধক রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৬টি চুড়ি বাকলিয়ার মিয়াখান নগর রোডের ‘মর্ডাণ ইরানী জুয়েলার্স’-এর মালিক শ্যামল সিংহের কাছে বন্ধক রাখা হয়। পরে ১৯ আগস্ট বোয়ালখালীর কানুনগোপাড়া এলাকা থেকে শ্যামল সিংহকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মিয়াখান নগর রোডের মডার্ন ইরানী জুয়েলার্স থেকে সাতটি স্বর্ণের চুড়ি উদ্ধার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে শ্যামল সিংহ আরও ৩৯টি চুড়ি বিভিন্ন জুয়েলারি দোকান ও বন্ধকী ব্যবসায়ীর কাছে রাখার তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কোতোয়ালী, বাকলিয়া ও চকবাজার এলাকার বিভিন্ন দোকান ও বন্ধকী ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এসব চুড়ি উদ্ধার করা হয়।

পূর্বকোণ/রাজীব

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট