রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বেড়াতে গিয়ে নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। নিখোঁজের প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা পর বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিক্ষার্থীর নাম সাজিদ শাহরিয়ার সানম (২৪)। তিনি চবির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। সাজিদ নরসিংদী জেলার অবসরপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. নাছির উদ্দিনের সন্তান বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ও নরসিংদী এলাকা থেকে ৯ জন বন্ধু কাপ্তাইয়ের সীতার পাহাড়ে বেড়াতে আসেন। ঘোরাঘুরি শেষে দুপুর দেড়টার দিকে তারা স্থানীয় একটি ঘাটে কর্ণফুলী নদীতে গোসল করতে নামেন। এ সময় পানির তীব্র স্রোতে তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হন সাজিদ শাহরিয়ার সানম।
বন্ধুদের কাছ থেকে খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তীতে রাঙামাটি থেকে আসা একটি বিশেষ ডুবুরি দলও অভিযানে যুক্ত হয়। নদীর তীব্র স্রোতের কারণে উদ্ধার কার্যক্রমে কিছুটা বেগ পেতে হলেও বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে নদী থেকে সাজিদ শাহরিয়ারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন ও টিম লিডার মো. রেজাউল করিম জানান, দুপুর দেড়টার দিকে খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। জোয়ারের কারণে নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় শুরুতে সন্ধান করতে কিছুটা সমস্যা হয়েছিল। পরে ডুবুরি দলের চেষ্টায় বিকেল সাড়ে তিনটায় নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হানুল ইসলাম জানান, যা অত্যন্ত একটি দুঃখজনক ঘটনা। খবর পাওয়ার পরপরই দ্রুত ডুবুরি দল পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পূর্বকোণ/রানা/পারভেজ

















