কক্সবাজারের টেকনাফে অস্ত্রধারীদের ছুরিকাঘাতে নাজির হোসেন (৪৭) ওরফে ‘ডাক্তার’ নামে এক নাইটগার্ড নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯ টায় টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নতুন পল্লান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে দক্ষিণ পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নাজির হোসেন নতুন পল্লান পাড়া ৪নং ওয়ার্ডের ফজল আহমদের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে টেকনাফ স্টেশন বাজার কমিটির নাইটগার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার পরিবারে পাঁচটি সন্তান রয়েছে।
আহতরা হলেন, নতুন পল্লান পাড়া এলাকার মো. সালাম (৩৭), জাহাঙ্গীর আলম (৪০), নবী হোসেন (৩৪), খোরশেদ আলম (৩৮) ও আলমগীর (৪২)। তারা টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে একটি দোকানে কয়েকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আরিফের নেতৃত্বাধীন একটি দল অস্ত্র, কিরিছ ও ধারালো ছুরি নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় নাজির হোসেনকে মারধরের পর বুকের ডান পাশে ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নতুন পল্লান পাড়া এলাকার মো. আরিফ (২৮) দীর্ঘদিন ধরে একটি কিশোর গ্যাং পরিচালনা করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি ও অপহরণসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
নিহতের ভাইয়ের ছেলে আলভি অভিযোগ করে বলেন, বিজল, সালামত উল্লাহ, নেতা সলিম, আরিফ, শফিক ও রিজুয়ানের কর্তৃত্বে একটি অস্ত্রধারী দল তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। এতে তার চাচা নাজির হোসেন গুরুতর আহত হয়ে মারা যান। হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, টেকনাফ সদরে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নাজির হোসেন নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে কক্সবাজার হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
পূর্বকোণ/নুসরাত

















