বান্দরবানের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টিপাত কমে আসায় নদীর পানি কিছুটা কমেছে তবে তা বিপদসীমার ৩০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বান্দরবান-কেরানিরহাট সড়কে পানি উঠায় জেলার সাথে চট্টগ্রাম কক্সবাজারের সড়ক যোগাযোগ এখনো বন্ধ রয়েছে।
বান্দরবান-কাপ্তাই-রাঙামাটি সড়কে পানির তোরে একটি ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় এই সড়কে গত তিনদিন থেকে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া রোয়াংছড়ি ও আলীকদম উপজেলায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বান্দরবান শহরের দুই তৃতীয়াংশ এলাকা এখনও পানির নিচে। জেলা শহরের দমকল বাহিনী অফিস, পুলিশ সুপারের বাসভবন সব বিভিন্ন এলাকায় নদীর পানি প্রবেশ করেছে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় লক্ষাধিক মানুষ এখনো পানিবন্দি। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে চার হাজারেরও বেশি পরিবার অবস্থান করছে। বন্যা কবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে।
আশ্রয়কেন্দ্র ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জেলা প্রশাসন সেনাবাহিনী বিজিবিসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আজ রবিবার বিকেলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেন এমপি বান্দরবানের বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনের কথা রয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস জানিয়েছেন, বন্যাকবলিত এলাকায় পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া যারা পানিবন্দি হয়ে আটকা পড়েছে তাদের উদ্ধারের সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
পূর্বকোণ/পিআর















