১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন বাতিলসহ ৮ দফা দাবিতে আগামী ১৩ অক্টোবর পার্বত্য জেলা বান্দরবানে সকাল সন্ধ্যা হরতাল আহবান করছে পার্বত্য নাগরিক পরিষদ।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকালে হোটেল গ্র্যান্ড ভ্যালি মিলনায়তনে নাগরিক পরিষদ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কাজী মজিবর রহমান হরতালেব ঘোষণা দেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আবসার, দপ্তর সম্পাদক মো. জালাল।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মজিবর রহমান জানান, ব্রিটিশ রচিত প্রহসনের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০ বাতিল করে সংবিধানের আলোকে তিন পার্বত্য জেলার শাসন ব্যবস্থা চালু করা। জমি ক্রয়-বিক্রয়, চাকরি, শিক্ষাসহ সর্বক্ষেত্রে রাজার সনদ বাতিল করা। ৬১ জেলার ন্যায় রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে জমি ক্রয়-বিক্রয় এবং ভূমি ব্যবস্থাপনা চালু করা। বাজার ফান্ড প্লটের লিজের মেয়াদ ৯৯ বছরে উন্নীত করা ও বন্ধ রাখা ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালু করা। উন্নয়নের স্বার্থে ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বান্দরবানসহ তিন পার্বত্য জেলায় পরিবেশ বান্ধব ইটের ভাটাসহ কলকারখানা ও ইন্ডাস্ট্রি চালু করা। আইনশৃঙ্খলা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে তিন পার্বত্য জেলায় প্রত্যহারকৃত ২৪৬টি সেনাক্যাম্প পুনস্থাপন করা। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে চাঁদাবাজি, গুম, খুন, ধর্ষণ বন্ধ করে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে তিন পার্বত্য জেলায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা ও শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা, চাকরিসহ সকল ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করে সমান অধিকার প্রদান ও ন্যয় বিচার প্রতিষ্ঠা করা।
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলার সাধারণ মানুষ এসব বিষয় নিয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।এই ৮ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১৩ অক্টোবর বান্দরবানে হরতাল আহবান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ৩ পার্বত্য জেলায় হরতাল অবরোধসহ আরো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
পূর্বকোণ/পিআর






















