আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে গত বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু করে সৌদি আরব। এবারও উরুগুয়ের বিপক্ষে শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছিল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে সমতা ফেরায় সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয় ম্যাচ। উরুগুয়ের বিপক্ষে এক পয়েন্ট পাওয়ায় পরের পর্বে পথ সহজ হলো সৌদির।
ম্যাচের আগে শক্তির বিচারে স্পষ্ট ফেবারিট ছিল উরুগুয়ে। তবে সৌদি আরব আবারও দেখাল, বিশ্বকাপের মঞ্চে বড় দলকে চাপে ফেলতে তারা জানে। প্রথমার্ধে বেশ গোছানো ফুটবল খেলেছে সৌদি আরব। এর পুরস্কারও পেয়ে যায় তারা ৪১ মিনিটে।
কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে প্রথমে শক্তিশালী হেড করেছিলেন হাসান আল তামবাকতি। তবে বলটি নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হন উরুগুয়ের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরা। তার হাত ফসকে বল বেরিয়ে গেলে সুযোগটি কাজে লাগাতে ভুল করেননি ডিফেন্ডার আবদুলেলাহ আল–আমরি। কাছ থেকে বল জালে জড়িয়ে সৌদি আরবকে এগিয়ে দেন তিনি।
বিরতির পর সমতায় ফেরার জন্য আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ডারউইন নুনিয়েস, ফেদেরিকো ভালভার্দে ও মাক্সিমিলিয়ানো আরাউহোদের একের পর এক আক্রমণ সৌদি রক্ষণকে ব্যস্ত রাখে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিরোধ গড়ে রাখে এশিয়ার দলটি।
ম্যাচের ৭০ মিনিট পার হওয়ার পরও ১–০ গোলে পিছিয়ে ছিল উরুগুয়ে। কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না তারা। তখন মনে হচ্ছিল, ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে হারানোর পর বিশ্বকাপে আরেকটি বড় অঘটনের গল্প লিখতে যাচ্ছে সৌদি আরব।
তবে ম্যাচের ৮০ মিনিটে স্বস্তির গোল পেয়ে যায় উরুগুয়ে। মাক্সিমিলিয়ানো আরাউহোর কল্যাণে সমতায় ফেরে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। আক্রমণের ধারাবাহিক চাপের ফল হিসেবে পাওয়া ওই গোলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ১–১।
শেষ সময়ে দুই দলই জয়ের জন্য চেষ্টা চালালেও আর গোলের দেখা মিলেনি। শেষ সময়ে সৌদি আরবের স্বপ্নভঙ্গ হলেও উরুগুয়েকেও সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে এক পয়েন্ট নিয়েই। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তাই পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে দুই দল।
পূর্বকোণ/আদর

















