এই ইংল্যান্ড সফর ভুলেই যেতে চাইবে পাকিস্তান। মাঠে ব্যাটিং বিপর্যয় ও মাঠের বাইরে নানা সমালোচনা। হোয়াইটওয়াশ ঠেকানোর ম্যাচের আগে সাত খেলোয়াড় ও দুই কোচকে অব্যাহতি দিয়ে ক্রিকেট মহলে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
প্রত্যাশিতভাবে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে পাকিস্তান। যে ফলাফল হওয়ার কথা ছিল তৃতীয় দিনেই, কয়েকজন ক্রিকেটারের বুক চিতিয়ে লড়াইয়ের কারণে তা চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। লাঞ্চ ব্রেকের আগেই ইংল্যান্ড মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করেছে। কিন্তু এর আগে তারা প্রথমবার পাকিস্তানের লড়াকু মানসিকতা দেখেছে। তিন টেস্টে ১৫ দিনের মধ্যে ১১ দিন মাঠে ছিল খেলা। এর মধ্যে কেবল এজবাস্টনের তৃতীয় দিনটাই নিজেদের করে নিতে পেরেছে পাকিস্তান।
আগের দিন রাজাউল্লাহর বীরোচিত ইনিংসে চলতি সফরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবার পাকিস্তান লড়াই দেখাতে পেরেছে। ইনিংস ব্যবধানে হার এড়ানোই যেখানে সাফল্য হওয়ার কথা, সেখানে ১৩০ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। সেই ছোট লক্ষ্য চতুর্থ দিন লাঞ্চ ব্রেকের আগেই ছুঁয়েছে ইংল্যান্ড।
শনিবার নতুন দিনের খেলা শুরু হলে ইংল্যান্ড ব্যাটিংয়ে নামে। পেসার মোহাম্মদ আব্বাসের আগুন ঝরানো বলে প্রথম ওভারেই দুটি উইকেট পড়ে যায়। প্রথম বলে বেন ডাকেট ও শেষ বলে এমিলিও গে ডাক মারেন। ২ রানে দুটি উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। তারপর জো রুট দশম ওভারে ২৩ রানে নো বলে জীবন পান। মোহাম্মদ আলী নো বল করায় বোল্ড হয়েও ক্রিজে টিকে যান ইংল্যান্ড অধিনায়ক। পরে জর্ডান কক্সকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয় তুলে নেন তিনি। দুজনের ১২৮ রানের জুটিতে ৮ উইকেটের জয় পায় স্বাগতিকরা। রুট ৬২ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৫৯ রানে খেলছিলেন কক্স।
আগের দুই ম্যাচে পাকিস্তান অসহায় আত্মসমর্পণ করে সিরিজ হেরে যায়। শেষ ম্যাচেও তারা ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কায় পড়েছিল। শেষ পর্যন্ত আজান আওয়াইস, শান মাসুদ ও বাবর আজমের ফিফটির পর রাজাউল্লাহর অবিশ্বাস্য ইনিংসে লিড নেয় পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত হারই মানতে হলো। তবে ৩-০ তে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর তাদের সান্ত্বনা, অন্তত শেষবেলায় তো লড়াই করেছে তারা।
পূর্বকোণ/প্রান্ত/পারভেজ

















