চট্টগ্রাম রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬

সর্বশেষ:

কর্ণফুলী নদীর অবৈধ দখলদারদের তালিকা দাখিলের নির্দেশ হাইকোর্টের 

কর্ণফুলী নদীর অবৈধ দখলদারদের তালিকা দাখিলের নির্দেশ হাইকোর্টের 

অনলাইন ডেস্ক

৮ নভেম্বর, ২০২৬ | ৫:২৪ অপরাহ্ণ

কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ ও পূর্ব পাশের সীমানা জরিপ করে অবৈধ দখলদারদের তালিকা দাখিলের জন্য চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের আরও দুই সপ্তাহের সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
 
 
রবিবার (৮ নভেম্বর) মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন ‘হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ’ (এইচআরপিবি)-এর আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি শেষে বিচারপতি জে বি এম হাসান এবং বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঁইয়ার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই নির্দেশনা জারি করেন।
 
 
 
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, কর্ণফুলী নদী রক্ষায় এইচআরপিবি-এর করা এক জনস্বার্থের রিট পিটিশনে ২০২৩ সালের ১৪ নভেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। সে সময় আদালত নদীর দক্ষিণ ও পূর্ব পাশের সীমানা জরিপ করে অবৈধ দখলদারদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা ও প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তিন মাসের সময় বেঁধে দিয়ে কয়েক দফা নির্দেশনা দিয়েছিলেন। একই সাথে জরিপ অনুযায়ী নদীটি রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।
 
 
তবে নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও আদালতে প্রতিবেদন দাখিল না করায় বিষয়টি এইচআরপিবি-এর আবেদনে আজ পুনর্নির্ধারিত আদেশের জন্য আসে।
 
 
আদালতে শুনানিতে এইচআরপিবি-এর পক্ষে জ্যেষ্ঠ অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, কর্ণফুলী নদী সুরক্ষায় ২০২৩ সালেই সীমানা জরিপ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়নি। ফলে নদীর দখল ও দূষণ নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত রয়েছে, যা চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের পরিবেশ ও জীবযাত্রায় মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। আজ শুনানি শেষে হাইকোর্ট আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে অবশ্যই নদীর সীমানা চিহ্নিতকরণ ও অবৈধ দখলদারদের তালিকা আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেন।
 
 
উল্লেখ্য, এইচআরপিবি-এর পক্ষে রিট পিটিশনটি দায়ের করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সারওয়ার আহাদ চৌধুরী। মামলায় পরিকল্পনা, নৌপরিবহন, পরিবেশ এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ মোট ১৯ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।
 
 
আজ রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ, তাকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট সঞ্জয় মন্ডল। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) শিহাব উদ্দিন খান।
 
পূর্বকোণ/পিআর 

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট