চন্দনাইশে এলডিপি বিলুপ্ত হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন আহমেদ।
শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে চন্দনাইশ উপজেলার দক্ষিণ গাছবাড়িয়া পেট্রোল পাম্পের সামনে আয়োজিত এক নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, এতদিন এলডিপি নেতাকর্মীদের ক্ষমতায় যাওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ভুলিয়ে রাখা হয়েছিল। এখন কর্মীরা তাদের ভুল বুঝতে পেরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে এবং তারেক রহমানের রাষ্ট্রীয় নীতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুনরায় জাতীয়তাবাদী দলে ফিরে এসেছেন।
এদিন চন্দনাইশের ৮টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভার এলডিপি কমিটি বিলুপ্ত করে কর্মীরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন।
এলডিপি থেকে বিএনপিতে যোগদানকারী উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন- উপজেলা এলডিপির সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সহ-সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, পৌরসভা এলডিপির সাধারণ সম্পাদক আকতার উদ্দিন এবং ধোপাছড়ি ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ইউসুফ চৌধুরী।
এছাড়াও কর আইনজীবী মাহবুবুল আলম, সাবেক কাউন্সিলর নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইউসুফ ভাণ্ডারী, হাশিমপুর ইউনিয়ন সভাপতি নজরুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় গণতান্ত্রিক শ্রমিকদল নেতা মনজুর আলমসহ অনেক নেতাকর্মীকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।
জেলা যুবদল নেতা সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ হাশেম রাজু এবং বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
এদিকে এলডিপির উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আখতার আলম এই গণ-যোগদানের দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, মাত্র ৫-৭ জন নেতা চলে গেলে দলের কোনো ক্ষতি হবে না।
তিনি দাবি করেন, মনজুর আলম দলের কেউ ছিলেন না এবং কিছু মানুষের গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দিলেই এলডিপি বিলুপ্ত হয় না। তার মতে, যারা চলে গেছেন তারা দলের শৃঙ্খলা না মেনেই নিজেদের মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পূর্বকোণ/সিজান/পারভেজ
















