চট্টগ্রামের চন্দনাইশে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ডাম্পারচালক মো. ইউনুছ দীর্ঘ ১৩ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার (১৩ মে) সকালে মারা গেছেন। তবে তার মৃত্যুর খবর জানতেন না এসএসসি পরীক্ষার্থী ছেলে রাসেল। পরীক্ষা শেষে বাড়িতে ফিরে বাবার নিথর দেহ দেখে নির্বাক হয়ে পড়ে সে।
মৃত মো. ইউনুছ চন্দনাইশ পৌরসভার ফতেহ আলী সিকদার বাড়ির মৃত দুদু মিয়ার ছেলে। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১ মে দুপুরে চন্দনাইশ পৌরসভার মিজ্জির দোকানসংলগ্ন আইডিয়াল স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি খালি ডাম্পারকে দ্রুতগতির একটি প্রাইভেটকার ধাক্কা দেয়। এতে ডাম্পারটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং চালক ইউনুছসহ তিনজন আহত হন।
আহত ইউনুছকে প্রথমে চন্দনাইশ বিজিসি ট্রাস্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দীর্ঘ ১৩ দিন চিকিৎসাধীন থাকলেও তার আর জ্ঞান ফেরেনি। বুধবার সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
স্থানীয়রা জানান, মো. ইউনুছ ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাদের নিজস্ব কোনো জায়গা-জমি না থাকায় তার মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস. এম. দিদারুল ইসলাম সিকদার জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে এবং দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকারটি আটক করা হয়েছে।
বুধবার বাদ মাগরিব চন্দনাইশ দরবার শরীফ মাঠে জানাজার নামাজ শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
















