অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও পরিবেশন, বাসি খাবার সংরক্ষণ, খাদ্যদ্রব্যে তেলাপোকার বিচরণ, মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রি এবং মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করার দায়ে চট্টগ্রাম নগরের ছয় প্রতিষ্ঠানকে ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নগরের ফলমন্ডি ও কর্ণফুলী এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব জরিমানা করা হয়।
অভিযানে কোতোয়ালী থানার ফলমন্ডি এলাকার নাসির উদ্দিন হোটেলকে ২৫ হাজার টাকা, আল বোরাক টি স্টল অ্যান্ড ঝাল বিতানকে ২০ হাজার টাকা এবং জিলানী ভাতঘরকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অধিদপ্তর সূত্র জানায়, হোটেলগুলোতে অস্বাস্থ্যকর ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার তৈরি ও পরিবেশন করা হচ্ছিল। রান্না করা বাসি খাবার পুনরায় বিক্রির উদ্দেশ্যে অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। এ ছাড়া খাদ্যদ্রব্যে তেলাপোকার বিচরণও দেখা যায়।
অন্যদিকে, কর্ণফুলী এলাকায় পৃথক অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ ও বিক্রির অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রির দায়ে মুনিরিয়া ফার্মেসি ও চট্টগ্রাম কমিউনিটি ফার্মেসিকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করায় নমেয়া স্টোরকে জরিমানা করা হয় পাঁচ হাজার টাকা।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ বলেন, খাবারের হোটেলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরি ও পরিবেশন, বাসি খাবার সংরক্ষণ এবং ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিককে জরিমানা করা হয়েছে। ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য ও ওষুধপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে নিয়মিত বাজার তদারকি অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদা আক্তার, মোহাম্মদ আনিসুর রহমান ও রানা দেবনাথ এবং ক্যামেরাম্যান মো. আফতাবুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
পূর্বকোণ/আরআর


















