চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬

সর্বশেষ:

নগর সরকার দিন, স্মার্ট সিটি উপহার দিব

পূর্বকোণের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে চসিক প্রশাসক ডা. শাহাদাত 

নগর সরকার দিন, স্মার্ট সিটি উপহার দিব

অনলাইন ডেস্ক

৫ নভেম্বর, ২০২৬ | ১:০৫ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও সাবেক মেয়র ডাক্তার শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নগর সরকার ছাড়া নাগরিকদের পূর্ণ সেবা ও সুবিধা প্রদান করা অসম্ভব। গত দুই বছরের অভিজ্ঞতায় বিষয়টি আমি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। এ পর্যায়ে এসে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলতে পারি- আমাকে যদি নগর সরকার দেয়া হয় আমি নগরবাসীকে ক্লিন, গ্রিন ও স্মার্ট সিটি উপহার দিতে পারবো।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে পূর্বকোণকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ডাক্তার শাহাদাত হোসেন একথা বলেন।
পূর্বকোণ অনলাইন স্টুডিওতে দেয়া প্রায় পৌনে এক ঘণ্টার সাক্ষাৎকারে চসিক প্রশাসক দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে অর্জিত সাফল্য, চ্যালেঞ্জ ও তা মোকবেলায় করণীয় তুলে ধরেন।
এছাড়া দুই বছরের দায়িত্ব পালনকালে জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, রাজস্ব বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। একইসঙ্গে নাগরিক সেবা উন্নত করতে স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন, ১০ লক্ষ শিশুকে টাইফয়েড ও অন্যান্য টিকা প্রদান এবং ডেঙ্গু দমনে গৃহীত পদক্ষেপ, হকারদের পুনর্বাসনের বিষয়েও কথা বলেছেন ডা. শাহাদাত হোসেন। তাঁর সাক্ষাৎকারের চুম্বক অংশ প্রশ্নোত্তর আকারে তুলে ধরেছেন পূর্বকোণের নিজস্ব প্রতিবেদক ইমরান বিন ছবুর।
পূর্বকোণ: মেয়র ও প্রশাসক হিসেবে আপনার দায়িত্বের দুই বছর পূর্ণ হলো। দেশের এক কঠিন সময়ে দায়িত্ব নিয়ে গত দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
ডা. শাহাদাত হোসেন: আমি তখন দেশের একমাত্র মেয়র হিসেবে শপথ নিই। সে সময় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় ছিল। জলাবদ্ধতা, ভাঙা সড়ক, বর্জ্য অব্যবস্থাপনা এবং ৫৯৬ কোটি টাকার বিশাল দেনা নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ছিল। মহান আল্লাহর রহমতে ও চট্টগ্রামবাসীর সহযোগিতায় গত দুই বছরে আমরা চসিককে সম্পূর্ণ দেনামুক্ত করে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে এনেছি এবং রাজস্ব আয় বাড়াতে সক্ষম হয়েছি।
এছাড়াও নগরীর প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা নিরসনে সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর দীর্ঘদিনের সমন্বয়হীনতা দূর করতে আমরা নিয়মিত বৈঠক করেছি। এর ফলে বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, মির্জাপুর, চকবাজার, বাকলিয়া ও আগ্রাবাদের মতো এলাকাগুলো জলাবদ্ধতা থেকে অনেকটাই মুক্তি পেয়েছে। চসিকের পক্ষ থেকে আমরা প্রতিবছর ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার নালা পরিষ্কার করছি এবং বিজ্ঞানসম্মত সমাধানের লক্ষে নতুন ৪০টি খাল খনন ও সংস্কার এবং ৩৬টি খাল রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ডিপিপির আওতায় আনছি।
পূর্বকোণ: মেয়র থেকে প্রশাসক পদে পদায়ন এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের অনুপস্থিতি আপনার দৈনন্দিন কাজে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে কি?
ডা. শাহাদাত হোসেন: পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে আমাকে মেয়রের সমপরিমাণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তাই দাপ্তরিক কাজে কোনো বাধা নেই। তবে ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে আমরা জনগণের সেবক হিসেবেই কাজ করতে অভ্যস্ত। তাই রাজনীতিবিদদের সাথে ‘প্রশাসক’ বা ‘শাসক’ শব্দটি বেমানান। অনতিবিলম্বে নির্বাচন হওয়া জরুরি। কারণ, নির্বাচিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর না থাকায় মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা, সড়কবাতি কিংবা জন্মনিবন্ধনের মতো সেবায় কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা কম থাকে। আমাকে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নিজে প্রতিটি ওয়ার্ডে গিয়ে তদারকি করতে হচ্ছে। নির্বাচিত কাউন্সিলর থাকলে আমাদের কাজগুলো আরও বেশি দৃশ্যমান হতো।
পূর্বকোণ: নির্বাচনী ইশতেহারে আপনি জলাবদ্ধতামুক্ত নগরী, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাবান্ধব চট্টগ্রাম, গৃহকর ও আবাসন সুবিধা, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরীর গড়াসহ ৯টি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর এগুলো কতটুকু বাস্তবায়ন করতে পেরেছেন?
ডা. শাহাদাত হোসেন: বিগত সরকারের আমলে গৃহকর অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে নগরবাসীকে অস্বস্তিতে ফেলা হয়েছিল। আমি দায়িত্ব নিয়ে সাধারণ বাড়ির মালিকদের সাথে কথা বলে গৃহকর কমিয়ে সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে এসেছি। দেখুন, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আগে মাত্র ৪৫ কোটি টাকা কর পাওয়া যেত। আমি পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নিলে তা ২৬৪ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে বন্দরের আপিলের পর বিভাগীয় কমিশনার ১৫ শতাংশ ছাড় দিয়ে সমাধান করায় এখন প্রতিবছর আমরা ২২৪ কোটি টাকা পাবো। এ ছাড়া ৩৬টি বেসরকারি কন্টেইনার ইয়ার্ডকেও পুনর্মূল্যায়নের আওতায় আনা হচ্ছে।
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আমরা ‘স্কুল হেলথ প্রোগ্রাম’ চালু করেছি। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঠিক নিয়মে ময়লা ফেলা, হাত ধোয়া ও পুষ্টিকর সকালের নাশতা (ডিম, কলা, দুধ) গ্রহণে অভ্যস্ত করার পাশাপাশি বিনামূল্যে চোখ, নাক-কান-গলা ও হৃদরোগের পরীক্ষা করা হচ্ছে। ওয়াকওয়ে এবং বিমানবন্দর সড়কে দেশের প্রথম ২ দশমিক ২ কিলোমিটার সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ করা হয়েছে। যা পতেঙ্গা সৈকতসহ শহরের অন্যান্য স্থানেও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া, গত দুই বছরে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে সাতশ’র বেশি উন্নয়ন কাজ করেছি, যেখানে ব্যয় করা হয়েছে ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা।
পূর্বকোণ: চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ডোর-টু-ডোর ময়লা অপসারণ বিনামূল্যে করার ঘোষণা দিলেও এখনো অনেক এলাকায় টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে আপনারা কী করছেন?
ডা. শাহাদাত হোসেন: এই অভিযোগের বিষয়ে আমরা তদন্ত করেছি। তদন্তে দেখা গেছে, চসিক নয় বরং বিভিন্ন আবাসিক এলাকার কল্যাণ সমিতি ও মালিক সমিতিগুলো নিরাপত্তাকর্মী সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিচ্ছন্নতার কথা বলে বাসাবাড়ি থেকে এই টাকা তুলছে। চসিকের নাম ভাঙিয়ে কেউ টাকা নিলে অভিযোগ পাওয়া মাত্রই আমরা ব্যবস্থা নেব।
পূর্বকোণ: একজন চিকিৎসক ও প্রশাসক হিসেবে নগরীর স্বাস্থ্যসেবা এবং সাম্প্রতিক ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে আপনার পদক্ষেপগুলো জানতে চাই।
ডা. শাহাদাত হোসেন: স্বাস্থ্যখাতে আমরা নজিরবিহীন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। ১০ লাখ শিশুকে টাইফয়েড, ৬ লাখ শিশুকে হাম এবং জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে ১ লাখ স্কুলছাত্রীকে এইচপিভি টিকা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১২ হাজার কুকুরকে জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া হয়েছে। স্তন ও লিভার ক্যান্সার সচেতনতায় বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প, মেমন হাসপাতালে নবজাতকদের জন্য এনআইসিইউ স্থাপন এবং মেমন-২ হাসপাতালকে পূর্ণাঙ্গ ডায়ালাইসিস সেন্টারে রূপান্তরের কাজ চলছে। স্বল্পমূল্যে সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সেবার পাশাপাশি মা ও শিশু হাসপাতালের সহযোগিতায় ৪১টি ওয়ার্ডের ডিসপেনসারিতে বিনামূল্যে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওপর অতিরিক্ত রোগীর চাপ কমাতে মোহরায় সেনাবাহিনীকে হাসপাতালের জন্য ৮ একর জমি দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী পতেঙ্গায় একটি হাসপাতাল করার পরিকল্পনা করছেন; পাশাপাশি সীতাকুণ্ডে একটি ট্রমা সেন্টার ও কর্ণফুলী সেতুর পাশে আরেকটি হাসপাতাল নির্মাণের প্রচেষ্টা চলছে। চমেক গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান হিসেবে সেখানকার স্যান্ডর ডায়ালাইসিস সেন্টারটি আরও ৬-৭ মাস চালু রাখার ব্যবস্থাও করেছি।
সারাদেশে সংক্রমণ বাড়লেও ঢাকার তুলনায় চট্টগ্রামে ডেঙ্গু পরিস্থিতি অনেক নিয়ন্ত্রণে। ঢাকায় যেখানে আক্রান্ত ৫০ হাজারের বেশি এবং মৃত্যু ১৫১ ছাড়িয়েছে, সেখানে চট্টগ্রাম মহানগরে আক্রান্ত প্রায় সাড়ে ৩ হাজার এবং মৃত্যু ১২ জন। তা ছাড়া এবার চিকুনগুনিয়া ও জিকা ভাইরাস প্রায় শূন্যের কোঠায়।
পূর্বকোণ: ফুটপাত উচ্ছেদের পর আবারও দখল হয়ে যাওয়া, ভাসমান মাদকসেবীদের উৎপাত এবং অবৈধ ব্যানার-পোস্টার রোধে স্থায়ী সমাধান কী?
ডা. শাহাদাত হোসেন: চকবাজারসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এলাকায় অবৈধ ব্যানার-পোস্টার অপসারণ করে জরিমানা করা হয়েছে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য নির্ধারিত ফিতে ডিজিটাল বোর্ড বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে দেওয়ানহাট ও চমেক এলাকার মতো জিইসিসহ গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে লোহার গ্রিল দিয়ে সৌন্দর্যবর্ধন করা হচ্ছে, যাতে ভ্যানগাড়ি বসতে না পারে। তবে মানবিক দিক বিবেচনায় নিউমার্কেট ও আগ্রাবাদে হকারদের সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন না ঘটিয়ে এক সারিতে ছাতা ও ভাঁজ করা চেয়ার নিয়ে বসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। স্থায়ী সমাধানের জন্য ৮-১০টি স্থানে আন্ডারগ্রাউন্ড মার্কেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে উচ্ছেদের পর তা ধরে রাখার দায়িত্ব সিএমপির ট্রাফিক বিভাগের; পাশাপাশি অপরাধ রোধে ভাসমান ব্যবসায়ীদের এনআইডি যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আসলে ভাসমান মানুষ ও মাদকসেবীদের পুনর্বাসন কিংবা শহরের সমন্বিত উন্নয়নে প্রধান বাধা হলো ‘নগর সরকার’ না থাকা। নগর সরকার থাকলে কারও অনুমতির অপেক্ষায় না থেকে আমি সরাসরি মাদকাসক্তদের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় পুনর্বাসন করতে পারতাম। বর্তমানে কাগজে-কলমে মেয়রকে ‘নগরপিতা’ বলা হলেও অন্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থাগুলো আমাদের কথা শুনতে বাধ্য নয়। সিঙ্গাপুর, টরন্টো বা নিউইয়র্কের মতো পরিকল্পিত শহর পেতে হলে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘নগর সরকার’ প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।
পূর্বকোণ: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন এবং নগরীকে ঘিরে আপনার বিশেষ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলো কী?
ডা. শাহাদাত হোসেন: দেশের সিটি কর্পোরেশনগুলোর মধ্যে আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সবচেয়ে বেশি। ৭৮টি স্কুল ও কিন্ডারগার্টেন, ২৪টি কলেজ এবং একটি প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি। বাংলাদেশে প্রথম প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি একসাথে ৫টি বিষয়ে এক্রেডিটেশন সার্টিফিকেট অর্জন করেছে। কিশোর গ্যাং, মাদক, চাঁদাবাজি ও ইভটিজিং থেকে যুবসমাজকে বাঁচাতে খেলার মাঠ ফিরিয়ে আনা অপরিহার্য। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা মন্ত্রণালয়ে ফুটসাল মাঠের প্রকল্প পাঠিয়েছি এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনেও খেলার মাঠ তৈরি হচ্ছে। নাগরিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে আমরা ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপ চালু করেছি। রাস্তা সংস্কার, সড়কবাতি, ম্যানহোলের ঢাকনা ও বর্জ্যসহ ১০টি সেবার বিপরীতে গত চার মাসে জমা পড়া ৬ হাজার ৫৪৩টি অভিযোগের মধ্যে ৪ হাজার ২০০টি (৬০ শতাংশের বেশি) ইতিমধ্যে সমাধান করা হয়েছে।
আমরা ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ ধারণার আওতায় কর্ণফুলী নদীর পাশের একটি দ্বীপে ৪০০ একর জায়গায় সৌরবিদ্যুৎচালিত পরিবেশবান্ধব পর্যটন নগরী এবং দেশে প্রথম একটি ‘সিটি সেন্টার’ গড়তে চাই। পাশাপাশি খালগুলোতে নৌ-পরিবহন ব্যবস্থা, রেলক্রসিংয়ে ওভারপাস, দেওয়ানহাট ও সাগরিকাসহ ১৮-২০টি পয়েন্টে এআই ট্রাফিক সিস্টেম এবং অপরাধ দমনে পুরো শহরে এআই নিরাপত্তা ক্যামেরা স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। তবে নান্দনিক ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে হলে সবার আগে নাগরিকদের সচেতন হতে হবে এবং চট্টগ্রামকে নিজের শহর হিসেবে ভালোবাসতে হবে।
পূর্বকোণ/ইবনুর
কোনো সাজেশন পাওয়া যায়নি

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট