চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার যুবদল কর্মী আবু ইউসুফ প্রকাশ জীবন হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত জিল্লুর রহমান জুয়েল ও তার সহযোগী মো. আরমানকে এবং নগরীতে চুরির অভিযোগে মো. হাসান হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আলম গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৭। সোমবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন এসআরবি‘র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ।
তিনি জানান, রাজনৈতিক পক্ষ পরিবর্তন ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ২৭ অক্টোবর রাতে বায়েজিদে কুঞ্জছায়া আবাসিক এলাকায় প্রধান অভিযুক্ত জিল্লুর রহমান জুয়েলসহ তার অন্যান্য সহযোগীরা লাঠি এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভিকটিম জীবনকে হত্যার উদ্দেশ্যে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। এতে ভিকটিম গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম প্রাপ্ত হয়। এ অবস্থায় বিবাদীরা ভিকটিমকে রেখে ঘটনাস্থল হতে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে উপস্থিত লোকজন ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৯ অক্টোবর ভিকটিম মৃত্যুবরণ করেন। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে ১৫ জনকে এজাহারনামীয় ও ২৫/৩০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি করে চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়োজিদে বোস্তামী থানায় একটি মামলা করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার এজাহারনামীয় ৫ নং আসামি মো. আরমান কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালী থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। অপর অভিযানে এসআরবি-৭ এর অভিযানিক দল রবিবার দিবাগত রাতে ডিএমপির ভাটারা থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে জীবন হত্যা মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি জিল্লুর রহমান জুয়েলকে (৪০) গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
অন্যদিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম জেলার চান্দগাঁও থানা এলাকায় চুরির অভিযোগে মো. হাসানকে পিটিয়ে হত্যার এজাহারনামীয় অভিযুক্ত আলম চান্দগাঁও থানা এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে আজ সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুর ১টার সময় এসআরবি-৭ এর একটি অভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে মো. আলম পাইককে (৩৫) গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
পূর্বকোণ/আরআর



















