পাঁচলাইশে ছিনতাইয়ের ঘটনায় নগরের লাভ লেইন এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মালামাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এসময় ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত দেড়টার দিকে নগরের লাভ লেইন এলাকার দয়াময়ী কালীমন্দির সড়কে একটি বাসায় এই অভিযান চালানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাঁচলাইশ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক।
পুলিশ জানায়, গত ১৬ অক্টোবর সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ওআর নিজাম রোডের উৎসব সুপার মার্কেটের বিপরীতে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। মোহাম্মদ ইয়াছিন (৪৯) এক ব্যক্তি তার স্ত্রী হালিমা আক্তারকে (৪০) চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার জন্য রিকশায় করে জিইসি মোড় থেকে পার্কভিউ হাসপাতালের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি তাঁদের রিকশার পেছন দিক থেকে এসে ভয়ভীতি দেখিয়ে হালিমা আক্তারের ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।ছিনতাই হওয়া ব্যাগে দুটি আইফোন, নগদ চার হাজার টাকা ও অন্যান্য সামগ্রী ছিল বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সূত্রের সহায়তায় মো. এরশাদ (৪০) নামে এক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়। পরে সেই ব্যক্তির কোতোয়ালী থানার লাভ লেইন এলাকার ওই বাসায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহভাজন এরশাদ পালিয়ে যান। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।
অভিযানে বাসাটিতে তল্লাশি চালিয়ে ১০টির বেশি মোবাইল ফোন, একটি অচল এইচপি ল্যাপটপ, একটি ট্যাব, বিভিন্ন রঙের ও ব্র্যান্ডের নারীদের ভ্যানিটি ব্যাগ ও হ্যান্ডব্যাগ, একটি মোটরসাইকেল, অলংকার, ৩৫ হাজার টাকা, ১৬টি পুরোনো পেনড্রাইভ, চাবির গোছা ও একটি হেলমেটসহ ৩২ ধরনের আলামত জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, সন্দেহভাজন এরশাদ পেশাদার ছিনতাইকারী। তাঁর বিরুদ্ধে সিএমপির বিভিন্ন থানায় সম্পত্তিসংক্রান্ত অপরাধের একাধিক মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। উদ্ধার হওয়া অন্যান্য মালামালের প্রকৃত মালিক শনাক্ত এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।
পূর্বকোণ/আরআর


















