প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফরে উজ্জীবিত বিএনপি। প্রধানমন্ত্রীর ২০ অক্টোবর চট্টগ্রাম সফরের পর অনেকটা ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন বিএনপি নেতারা। ওইদিন রাতে নগরীর জে এম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের প্রায় ৭৫ জন, দক্ষিণ জেলার প্রায় ১০০ জন এবং অবশিষ্ট মহানগরীর নেতারা অংশগ্রহণ করেন।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান পূর্বকোণকে বলেন, ‘সাংগঠনিক সভার পর নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত। প্রধানমন্ত্রী ওই সভায় মাদক, কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করতে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেন। একইসাথে বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের জনগণ বিএনপির উপর যে আস্থা রেখেছে সেটা কোনোভাবে নষ্ট করা যাবে না বলেও উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ত্যাগী ও অধিকতর গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি মনোনয়ন দেওয়ার কথা বলেছেন। প্রার্থীর পক্ষে দলের নেতাকর্মীদের একাট্টা হয়ে কাজ করতে নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের বক্তব্যে দলের নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হয়েছেন। তবে এ সভায় দলের অনেক ত্যাগী ও নিবেদিত নেতা অংশগ্রহণ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সীমিত আকারের অনুষ্ঠানের কারণে অনেকে অনুষ্ঠানে যেতে পারেননি। এজন্য আমি দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চাচ্ছি। ভবিষ্যতে আরো বড় আকারের সাংগঠনিক সভা আয়োজনের জন্য আমি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি।’
মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ এমপি পূর্বকোণকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বিএনপির সাংগঠনিক সভায় সন্ত্রাস, মাদক, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছেন। একইসাথে দলাদলি ভুলে আগামী স্থানীয় সরকার পরিষদের নির্বাচনে দলীয় একক প্রার্থী মনোনয়ন দিতে বলেছেন। বিশেষ করে যার জনসমর্থন ও গ্রহণযোগ্যতা বেশি তাকে নির্বাচনে মনোনয়ন দিতে বলেছেন। সভায় দলীয় নেতারা প্রধানমন্ত্রীর এসব বক্তব্যে প্রাণিত হয়েছেন।’
দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন পূর্বকোণকে বলেন, ‘দক্ষিণ জেলা থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের প্রায় ১০০ নেতা ওই সাংগঠনিক সভায় অংশগ্রহণ করেন। তারা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে অনেক খুশি।’
পূর্বকোণ/মিফতা



















