চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রাহাত উল্লাহর বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সংগঠনটির সদস্যসচিব শহীদুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই মামলায় আবু হাসনাত নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় শহীদুল ইসলামকে দল থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে নগরের কাপাসগোলা এলাকায় রাহাত উল্লাহর বাসায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে তাঁর মা সেলিনা আক্তার ও প্রতিবেশী ফখরুল ইসলাম আহত হন।
সেলিনা আক্তারের অভিযোগ, শহীদুল ইসলাম ও আবু হাসনাত ২০ থেকে ২৫ জনকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর ছেলেকে খুঁজতে বাসায় প্রবেশ করেন। সেখানে রাহাত উল্লাহকে না পেয়ে তাঁরা ঘরের আসবাবপত্র, দরজা ও জানালা ভাঙচুর করেন। একপর্যায়ে সেলিনা আক্তারকে মারধর করা হয়। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে আহত হন প্রতিবেশী ফখরুল ইসলাম।
এ ঘটনায় সেলিনা আক্তার বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় মামলা দায়ের করেন। কাপাসগোলা এলাকা পাঁচলাইশ থানার আওতাধীন। মামলার পর ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে শহীদুল ইসলাম ও আবু হাসনাতকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ জানান, গ্রেফতার দুজনকে রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে হামলার ঘটনার পর শহীদুল ইসলামকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জমির উদ্দিন জানান, সংগঠনের সহযোদ্ধার বাসায় হামলা, পরিবারের সদস্যদের মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও লুটপাটের অভিযোগে চকবাজার থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব শহীদুল ইসলামকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ বহিষ্কার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এর আগেও শহীদুল ইসলামকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়।
এর আগে গত বছরের ৬ জানুয়ারি নগরের পাঁচলাইশে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে কোতোয়ালি থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিনকে হেনস্তার অভিযোগে শহীদুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে এলাকায় চাঁদাবাজি ও হামলাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।


















