চট্টগ্রাম সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

সর্বশেষ:

দুবাই থেকে আনা চালানে প্রায় ২১ হাজার পণ্য, বিমানবন্দর হয়ে এসেছিল চট্টগ্রামে

চট্টগ্রামে ডাকঘরে কোটি টাকার নিষিদ্ধ ক্রিম ও ভ্যাপ লিকুইড জব্দ

১২ অক্টোবর, ২০২৬ | ১১:১২ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রামে ডাকঘরে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ আমদানি নিষিদ্ধ রং ফর্সাকারী ক্রিম ও ই-সিগারেটের তরল (ভ্যাপ লিকুইড) জব্দ করেছে কাস্টম হাউস। জব্দ করা এসব পণ্যের বাজারমূল্য কোটি টাকার বেশি। সমুদ্রবন্দরের কড়াকড়ি এড়াতে ডাক বিভাগের মাধ্যমে পণ্যগুলো দেশে আনার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে ধারণা করছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে নগরের ফকিরহাট-সংলগ্ন ডাকঘরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চালানটি আটক করা হয়। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ আল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে পাঠানো চালানটি প্রথমে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখান থেকে রেলপথে চট্টগ্রামে আনার পর ডাক বিভাগের গাড়িতে করে চট্টগ্রাম বন্দরের ৩ নম্বর ফটকসংলগ্ন ডাকঘরে নেওয়া হয়। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে পণ্যগুলো জব্দ করা হয়।

জব্দ করা চালানের ২৯টি কার্টনে পাওয়া গেছে ১৯ হাজার ৬৯১ পিস আমদানি নিষিদ্ধ রং ফর্সাকারী ক্রিম। এ ছাড়া পৃথক দুটি কার্টনে ছিল ই-সিগারেটের ১ হাজার ৩৪০ পিস ক্যাপ লিকুইড। সব মিলিয়ে চালানটিতে ক্রিম ও ভ্যাপ লিকুইডের সংখ্যা ২১ হাজার ৩১ পিস।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, সমুদ্রবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে মিথ্যা ঘোষণা, চোরাচালান ও রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে একটি চক্র ডাকঘরকে ব্যবহার করে আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য দেশে আনার চেষ্টা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগেও ডাকঘর থেকে আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের চালান আটক করা হয়েছিল।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষের ধারণা, প্রচলিত নজরদারি এড়িয়ে নিষিদ্ধ পণ্য দেশে প্রবেশ করানোর বিকল্প পথ হিসেবে ডাক বিভাগের ব্যবস্থাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে চক্রটি। এ ধরনের অনিয়ম ও চোরাচালান ঠেকাতে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট