চট্টগ্রাম রবিবার, ০৪ অক্টোবর, ২০২৬

সর্বশেষ:

জাল দলিলে সাড়ে ২৩ কোটি টাকার খাস জমি আত্মসাৎ, মামলার অনুমোদন

জাল দলিলে সাড়ে ২৩ কোটি টাকার খাস জমি আত্মসাৎ, মামলার অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক

৪ অক্টোবর, ২০২৬ | ৫:১৭ অপরাহ্ণ

জাল দলিল তৈরি করে ২৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সরকারি জমি আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রামে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
 
 
রবিবার (৪ অক্টোবর) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রমাণ পাওয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।
 
 
অভিযুক্তরা হলেন— চট্টগ্রাম গণপূর্ত বিভাগের সাবেক উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ও বর্তমানে বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহ-আলম ফারুক, ফাতেমা বেগম, মো. ফরিদ আহমদ, মোহাম্মদ ফাহিম আহমেদ, হাসিনা মমতাজ, মোহাম্মদ ফয়েজ আহমদ, রোকেয়া সুলতানা ও শাহিন সুলতানা।
 
 
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জাল দলিল তৈরি ও সেগুলো আসল হিসেবে ব্যবহার করেছেন। প্রতারণার মাধ্যমে সরকারি জমি ভোগদখলে রেখে তারা নিজেরা লাভবান হয়েছেন এবং রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি করেছেন।
 
 
অভিযোগটি চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার গোঁসাইলডাঙা মৌজার লিজ আউট প্ল্যানের ১৬ নম্বর প্লটের ২৪ দশমিক ৯৬ শতক জমি নিয়ে। দুদকের হিসাবে, ২০২৫ সালের মৌজা রেট অনুযায়ী বাড়ি বাদে জমিটির মূল্য ১৭ কোটি ১২ লাখ ৬৩ হাজার ১৪০ টাকা। এর সঙ্গে বকেয়া ভাড়া বাবদ ৬ কোটি ৫৫ লাখ ৭৬ হাজার ৯৮ টাকা যোগ করলে মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ৩৯ হাজার ২৩৮ টাকা।
 
 
অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ না করেই অভিযুক্তরা জমিটি ভোগদখলে রেখেছেন। জাল নথি তৈরি ও ব্যবহারের পাশাপাশি জমি দখলে রাখার মাধ্যমে তারা সরকারের বিপুল আর্থিক ক্ষতি করেছেন।
 
 
অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় দুদকের চট্টগ্রাম-১ কার্যালয় থেকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
 
পূর্বকোণ/পিআর 

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট