টেকনাফ ২ বিজিবির অভিযানে একজন আসামীসহ ২৪০ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ১টি রকেট বোমা, ২টি গ্রেনেড এবং ১টি কম্পাস উদ্ধার করা হয়েছে।
টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে কর্নেল মহিউদ্দিন আহমদ জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়- ২০ অক্টোবর শাহপরীরদ্বীপের জালিয়াপাড়া সীমান্ত পয়েন্ট মায়ানমার হতে বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে চোরাকারবারীরা এসব যুদ্ধ সরঞ্জাম একটি বাড়িতে লুকিয়ে রাখে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে ভোররাত ৪টার দিকে টেকনাফ ব্যাটালিয়ান সদরের একটি টহলদল উল্লেখিত বাড়িটিতে অভিযান পরিচালনা করে। বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহজনক একজন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে টহলদল তাকে আটক করে।
পরবর্তীতে আটককৃত চোরাকারবারীর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বসত বাড়ির আঙ্গিনায় বালির বস্তার নিচে লুকানো দুইটি ব্যাগ থেকে ২৪০ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ১টি রকেট বোমা, ২টি গ্রেনেড এবং ১টি কম্পাস উদ্ধার করা হয়।
চোরাকারবারী জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, সে এসব যুদ্ধ সরঞ্জাম মায়ানমার হতে পাচার করে নিয়ে আসে এবং অবৈধ উদ্দেশ্যে নিজের হেফাজতে রাখে। ধৃত আসামী মো. শফিউল আলম (৫৫), শাহপরীরদ্বীপের মৃত সুলতান আহমেদের ছেলে। আসামীকে চোরাচালানের দায়ে নিয়মিত মামলায় টেকনাফ মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
পূর্বকোণ/পারভেজ

















