ঈদের টানা ছুটিতে কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ী পর্যটকের ঢল নেমেছে। সমুদ্র সৈকতের মাতারবাড়ী সাগর পয়েন্টে সকাল থেকে পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে। ঈদের পরদিন (১৩ এপ্রিল) শুক্রবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাজার -হাজার পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে উপজেলার মাতারবাড়ী সমুদ্র সৈকত।
ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঈদ করতে আসা নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের স্থানীয় লোকজনের পাশাপাশি এত পর্যটক কোন বছরে দেখা যায়নি বলে জানান স্থানীয়রা। অনেকে জানিয়েছেন মাতারবাড়ী দেশের বড় কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প,গভীর সমুদ্র বন্দর হতে যাওয়ায় অনেকে ঈদের ছুটিতে সেখানে দেখতে যাচ্ছে এর সাথে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে পাশের সমুদ্র সৈকত। সমুদ্রের সৈকতের বেলা ভূমিতে ছুটে যাচ্ছে স্থানীদের পাশাপাশি পাশ্ববর্তী উপজেলার লোকজন।
সরেজমিন দেখা গেছে, সৈকতের ঝাউবাগানসহ পর্যটন স্পট গুলোতে বিপুল সংখ্যক পর্যটক অবস্থান করছেন। তারা সৈকতে আছড়ে পড়া ঢেউয়ে ভিজে উল্লাসে মেতেছেন। বিভিন্ন পর্যটন স্পট ঘুরে দেখছেন অনেকে। কেউ কেউ সৈকতের ঝাউবাগানে বসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। তবে পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য কোন ধরনের ব্যবস্থা নেই বলে জানিয়েছেন অনেকই।
নারায়ণগঞ্জ থেকে সৈকতে ঘুরতে আসা পর্যটক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরিবার নিয়ে ঈদের ছুটিতে মাতারবাড়ী সৈকতে ঘুরতে এসেছি। সকাল থেকে পুরো সৈকত পর্যটকে মুখর। অনেক লোক এসেছে, বেশ ভালো লাগছে। তবে প্রচণ্ড গরমে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।’ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের যথাযথ তদারকি থাকলে, অদূর ভবিষ্যতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে চাপ কমাতে পারে সুবিশাল এই সমুদ্র সৈকত।
মাতারবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইমরান জানান, পুলিশ সমগ্রদিক বিবেচনা রেখে টহল জোরদার রেখেছে। সমুদ্র সৈকত আমাদের সাবক্ষনিক পর্যবেক্ষণে রাখছি।
পূর্বকোণ/হোবাইব/আরআর


















