বিশ্বকাপ ২০২৬ এর নক-আউট নিশ্চিত করেছে বেলজিয়াম ও মিশর। ২৭ জুন সকাল ৯টায় শুরু হওয়া ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়ে ৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে পরের পর্বে নাম লেখায় বেলজিয়াম। মোহামেদ সালাহ’র মিশরেরও পয়েন্ট ৫। তবে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে রানার আপ হয়ে তারা নাম লেখায় সেরা ৩২-এ। সিয়াটল স্টেডিয়ামে মিশর ১-১ গোলে ড্র করে ইরানের বিরুদ্ধে। ভ্যাঙ্কুবারে ডি-ব্রুইনারা ৩-০ গোলে হারায় কিউইদের। নক-আউটে বেলজিয়াম মাঠে নামবে ২ জুলাই। তাদের প্রতিপক্ষ এই প্রতিবেদন তৈরির সময় পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়নি। অন্যদিকে মিশর মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়ার, ৪ জুলাই।
সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ড্র করে গ্রুপে তিন ড্র’তে ৩ পয়েন্ট নিয়েও কেপ ভার্দে ইতিহাস গড়ে জায়গা করে নেয় রাউন্ড অব ৩২-এ। তারা নক-আউটে লিও মেসির আর্জেন্টিনার মুখোমখি হবে। অন্যদিকে গ্রুপ জি’তে ইরানের সামনেও দারুণ সুযোগ ছিল। জিততে পারলে তাদের পয়েন্ট হতো ৫, চলে যেতো পরের পর্বে। এখনও সেরা ৩২’এর সুযোগ আছে তাদের সামনে, সেরা আট তৃতীয় দলের একটি হচ্ছে কিনা সেটা জানার অপেক্ষায় এখন ইরানের ফুটবলাররা। মিশরের বিরুদ্ধে ভাগ্যও সাথে ছিল না ইরানের। ১-১ গোলে ড্র’তে ম্যাচ শেষ যখন নিশ্চিত, তখনই ইরানের গোল। ৯৪ মিনিটে গোল পেয়েছিল ইরান, গোল করেছিলেন সুজা খলিলজাদেহ। তবে ৯৬ মিনিটে ভিএআর সেই গোলটি বাতিল করে দেয়। ম্যাচে শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে ইরান। মিশরের হয়ে ৫ম মিনিটে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের দ্রুততম গোলটি করেন মাহমুদ সাবের। কয়েক মিনিট পরই সমতায় ফেরার সুযোগ মিস করেন মেহেদী তারেমি। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন তারেমি। তবে ইরান ঠিকই সমতায় ফিরে রামিন রেজাইয়ানের গোলে। ম্যাচের ১৪ মিনিটে ইরানকে উল্লাসে মাতিয়ে তোলেন তিনি। মিশর বল দখলে আধিপত্য দেখালেও ম্যাচ জয়ের জন্য আপ্রান চেষ্টা করে ইরান। প্রতিপক্ষের গোলমুখে ডজন শট নিয়েও মাত্র একটিতেই সাফল্য পায় তারা। অন্যদিকে মিশরেরও সমান সাফল্য, তবে তারা শট নিয়েছে ১৪টি।
সিয়াটল স্টেডিয়ামে গোলখরা থাকলেও উৎসব হয়েছে ভ্যাঙ্কুবারে। তবে সেটা নিউজিল্যান্ডের নয়, বেলজিয়ামের। ম্যাচটির শুরুতেই প্রতিপক্ষের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বেলিজিয়ামের ফরোয়ার্ড। তবে গোল পাওয়া হচ্ছিলো না তাদের। ডেডলক ভাঙ্গে ম্যাচের ২৮ মিনিটে। এ সময় গোল পান লিয়ান্দ্রো ত্রোসার। কর্নার থেকে তৈরি হওয়া জটলার ভেতর থেকে বল জালে জড়ান তিনি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবারো ত্রোসার গোলে লিড বাড়ায় বেলজিয়রা। ৬৬ মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে তোলেন কেভিন ডি ব্রুইনা। এই গোলের পর কিউইদের আক্রমনের ধার কিছুটা বাড়ে। তবে ম্যাচ নিয়ন্ত্রনে ছিল বেলজিয়ামেরই। ৮৪ মিনিটে এলিজা জাস্টের গোলে নিউজিল্যান্ড ব্যবধান কমাতে পাররেও আসর থেকে তাঁদের বিদায়ের রাস্তাটা বন্ধ করতে পারেননি। উল্টো ম্যাচের ৮৬ মিনিটে বদলি নাম রোমেলু লকাকু ও ৯৪ মিনিটে শেষ গোলটি করেন অ্যালেক্সিস স্যালেম্যাকার্স।
পূর্বকোণ/এএইচ
















