চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নতুন উপাচার্য শেখ শরীফুল আলমকে প্রত্যাখান করে লাল কার্ড দেখিয়েছে শিক্ষার্থীরা। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে এই কর্মসূচি পালন করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
এর আগে সকালে ক্যাম্পাসে প্রতিবাদী গ্রাফিতি অঙ্কন কর্মসূচিও পালন করেছে শিক্ষার্থীরা। সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ চত্বর ও অ্যাকাডেমিক ভবনের দেয়ালে এসব গ্রাফিতি আঁকা শুরু হয়।

গ্রাফিতির মাধ্যমে উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে বহালের দাবি জানানো হয়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একজন বলেন, আমাদের গ্রাফিতি আঁকা কর্মসূচি চলমান। আমাদের দাবি একটাই উপাচার্য হিসেবে আমরা সকলের প্রিয় অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চাই। এতদিন কেটে যাওয়ার পরও দাবি পূরণ না হওয়া হতাশাজনক। আমরাও আমাদের ক্লাসে ফিরতে চাই। সরকারের কাছে আকুল আবেদন যেন আমাদের একাডেমিক লাইফ ও ক্যারিয়ারকে প্রাধান্য দিয়ে ক্যাম্পাসে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত তা গ্রহণ করে।
এছাড়া আন্দোলনের সার্বিক পরিস্থিতি ও পরবর্তী কর্মসূচি জানাতে বিকেল ৪টায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন তারা।
গত ২১ সেপ্টেম্বর চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে কুয়েটের ইটিই বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। এ সিদ্ধান্তের পর থেকেই উত্তাল হয়ে ওঠে চুয়েট।
২০২৫ সালে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে দীর্ঘসময় ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ছিল খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট)। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ওই বছরের ২৫ এপ্রিল কুয়েটের তৎকালীন উপাচার্য ড. মুহাম্মদ মাছুদ এবং সহ-উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল আলমকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
পূর্বকোণ/পিআর

















