শনিবার নগরের চকবাজারের নিজের রেস্টুরেন্ট থেকে বহদ্দারহাট যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন সফি উল্লাহ। এ ঘটনায় নগরের রবিবার পাঁচলাইশ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁর স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তার। পরে পরিবারের কাছে ফোন করে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জোরারগঞ্জ এলাকা থেকে শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস থেকে তাঁকে উদ্ধার করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক।
পুলিশ জানায়, জিডির পর পুলিশ নগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সফি উল্লাহর অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে হাটহাজারীর ছাদেকনগর এলাকার একটি মাজারে তাঁর অবস্থান শনাক্ত হয়। সেখানে এক ব্যক্তির সহায়তায় পরিবারের কাছে ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করেছিলেন। পুলিশ সেখানে অভিযান চালালেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
উদ্ধারের পর সফি উল্লাহ পুলিশকে জানান, পাওনাদারের টাকা পরিশোধ এড়াতে আত্মগোপনে গিয়ে অপহরণ ও মুক্তিপণের নাটক সাজিয়েছিলেন। পাশাপাশি ব্যবসায়িক অংশীদারদের ফাঁসানোর পরিকল্পনাও ছিল।
পূর্বকোণ/আরআর

















