চট্টগ্রাম রবিবার, ০৫ জুলাই, ২০২৬

সর্বশেষ:

বর্জ্যের দুর্গন্ধ নিয়ে প্রবেশ করতে হয় নগরীতে

বর্জ্যের দুর্গন্ধ নিয়ে প্রবেশ করতে হয় নগরীতে

নিজস্ব প্রতিবেদক

৫ জুলাই, ২০২৬ | ১২:৩২ অপরাহ্ণ

কালুরঘাটের খেজুরতল এলাকার রাস্তায় বিশাল বর্জ্যের ভাগাড়। রাস্তার প্রায় ৪০-৫০ ফুট অংশজুড়ে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। অথচ রাস্তার পাশেই রয়েছে এ কে খান ফাউন্ডেশনের হাসপাতাল ‘সিআরপি- এ কে খান কেন্দ্র’। এতে পরিবেশ-দূষণ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দা ইমরান খান ও ব্যবসায়ী স্বপন দাশ বলেন, ‘রাস্তার উপর বসানো হয়েছে উন্মুক্ত বর্জ্যের ভাগাড়। মোহরা ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় থেকে সিটি করপোরেশনের ছোট ছোট ভ্যান করে ময়লা-বর্জ্য এখানে ফেলা হয়। তিন-চার দিন পর বড় গাড়িতে নিয়ে যায়। কয়েক দিন পড়ে থাকায় দুর্গন্ধে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। হাজার হাজার মানুষ স্বাস্থ্য-ঝুঁকিতে রয়েছে।’

হাসপাতালের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে পূর্বকোণকে বলেন, ‘একটি হাসপাতালের পাশে এভাবে ময়লা-বর্জ্যরে স্তূপ সভ্যতার পরিচয় বহন করে না। পচা-দুর্গন্ধে বমি আসে। এতে রোগী-স্বজন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের করুণ অবস্থা বিরাজ করে।

গত বুধবার সিটি করপোরেশন রাস্তার ওপর পাকা ডাস্টবিন নির্মাণের কাজ শুরু করেছিল। কিন্তু হাসপাতাল ও জনবসতি এলাকার স্থায়ী ডাস্টবিন নির্মাণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় স্থানীয়রা। বর্তমানে রাস্তার ওপর ডাস্টবিন নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা বলেন, ‘আমি নিজেও চাই না হাসপাতাল ও শহরের প্রবেশমুখে ডাস্টবিন থাকুক। রাস্তা থেকে সরিয়ে সেতুর নিচে রেলওয়ের অব্যবহৃত জায়গায় অস্থায়ীভাবে ডাস্টবিন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

পূর্বকোণ/নুসরাত

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট