সমাজকল্যাণ, নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং চব্বিশের গণআন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে চট্টগ্রামের জনসাধারণের অবদান এবং ত্যাগের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে তিনি বলেন, সরকার গঠনের সাড়ে চার মাসের মধ্যে দারিদ্র্য বিমোচন ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ গঠনে কাক্সিক্ষত সাফল্য অর্জিত হয়েছে। মন্ত্রী বলেন বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন দেশব্যাপী চিকিৎসকদের শূন্যপদে নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। মন্ত্রী চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি সমাজউন্নয়নে চিকিৎসকদের আরো বেশি ভূমিকা রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন সাধারণ জনগণের সবচেয়ে কাছে থাকার যে সুযোগ চিকিৎসকদের রয়েছে, তার সদব্যবহার করে সমাজ উন্নয়নে চিকিৎসকদের এগিয়ে আসতে হবে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ প্রাক্তন ছাত্র সমিতির উদ্যোগে ভাটিয়ারি গল্ফ ক্লাব মিলনায়তনে ঈদ পরবর্তী পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে গতকাল প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. সাইফুদ্দিন মো. তারিকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কার্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ডা. মো. ইফতেখারুল ইসলাম লিটনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহাসচিব ডা. আশরাফুল কবির ভুঁইয়া, ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী এবং ডা. তমিজউদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের চার প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সম্মাননাপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন- চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, দৈনিক পূর্বকোণ সম্পাদক ডা. ম. রমিজউদ্দিন চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. ইমরান বিন ইউনুস এবং অধ্যাপক ডা. মোহাম্মাদ আবুল ফয়েজ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম নগরের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকাকে ধূমপানমুক্ত রাখতে এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে চিকিৎসকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠান শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী লিজা। র্যাফেল ড্র এবং নৈশভোজের মাধ্যমে শেষ হওয়া অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের বিপুলসংখ্যক প্রাক্তন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।












